Gambhir on dropping Sooryavanshi: 'সবাইকে খুশি করা আমার কাজ নয়', বৈভবকে বাদ দেওয়া নিয়ে চাঁচাছোলা জবাব গম্ভীরের
Gambhir on dropping Sooryavanshi: বৈভব সূর্যবংশীকে কেন প্রথম একাদশে রাখা হচ্ছে না? বিশেষত ইতিমধ্যে সিরিজের ফয়সালা হয়ে যাওয়ার পরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও তাঁকে দলে রাখা হল না কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহে কড়া বার্তা দিলেন গৌতম গম্ভীর।
Gambhir on dropping Sooryavanshi: বৈভব সূর্যবংশীকে প্রথম একাদশে না রাখা নিয়ে সমালোচকদের একহাত নিলেন গৌতম গম্ভীর। আজ হ্যামিলটনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে সরকারি সম্প্রচারকারী সংস্থায় ভারতীয় দলের হেড কোচ বলেন, ‘প্রথমত, সবাইকে খুশি করা আমার কাজ নয়। আমার কাজ হল সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া, জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়া (আমার কাজ নয়)। আর সেই কারণেই আমি এখানে আছি। জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই সহজ কাজ। কিন্তু আমার কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া। আর এটা নিশ্চিত করা যে ড্রেসিংরুমের মধ্যে (মানসিক) সুরক্ষা বজায় থাকা।’

অভিষেক, ইশান, সঞ্জুদের সঙ্গে অবিচার করা হবে?
এমনিতে ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত সদস্য হতে পারেননি বৈভব। বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, বৈভবকে প্রথম একাদশে নিয়মিত খেলানোর দাবি তোলা হলেও বাস্তবে সেটা অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন বা ইশান কিষানদের কীভাবে বাদ দেওয়া সম্ভব? কাউকে একজন বাদ দিলে তাঁদের সঙ্গে অবিচার করা হবে।
ওই মহলের মতে, তিনজনই ভারতীয় ব্যাটিং লাইন-আপের স্তম্ভ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের ক্ষেত্রে তিনজনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বৈভবকে খেলানোর জন্য তাঁদের বাদ দেওয়া উচিত হবে না। এই যে ইশান চোট পেয়েছিলেন, সেইসময় বৈভব দলে ঢুকেছিলেন, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু ভারতীয় উইকেটকিপার আবার ফিট হয়ে গেলে স্বভাবতই প্রথম একাদশে তাঁরই সুযোগ পাওয়ার কথা। নাহলে তো দলের অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হবে।
‘বৈভব বিরল প্রতিভা’, যুক্তি অনেকের
যদিও অনেকে আবার ভিন্নমতও পোষণ করেছেন। তাঁদের মতে, বৈভব বিরল প্রতিভা। ফলে তাঁকে অহেতুক দলের সঙ্গে স্রেফ ঘুরিয়ে লাভ নেই। তাঁকে খেলানো উচিত। আর ওপেনিংয়েই খেলানোর দাবি তোলা হয়েছে ওই মহলের তরফে। গম্ভীর-সহ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের সমালোচনাও করেছেন তাঁরা।
সমালোচকদের পাত্তা দিতে নারাজ গম্ভীর
গম্ভীর অবশ্য সেই সমালোচকদের কথায় কান দিচ্ছেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে অনেকে অনেকরকম কথা বলবেন। অনেক আলোচনা চলবে। ভিন্নরকম মতামত উঠে আসবে। কিন্তু সেই বাইরের জগতে কী ঘটছে, সেটা মাথায় না নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই তাঁর কাজ বলে জানিয়েছেন ভারতীয় দলের হেড কোচ।
তিনি জানিয়েছেন, যে খেলোয়াড়দের প্রতিভা আছে, তাঁদের কিছুটা বেশি সুযোগ পাওয়া উচিত। গম্ভীরের কথায়, ‘আমার মনে হয়, যারা দীর্ঘদিন ধরে অসাধারণ ভালো খেলেছে, স্বাভাবিকভাবেই তারা আরও কিছুটা সময় পাওয়ার যোগ্য। আর এই সিরিজের ক্ষেত্রেও আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক এটাই।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


