Mallikarjun Kharge targets BJP: এই দেশে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষদের কোনও জায়গা নেই। উত্তরাখণ্ডের হলদিওয়ানির রামলীলা ময়দানে নিজের জনসভার পর 'শুদ্ধিকরণ'-এর তীব্র সমালোচনা করলেন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। তিনি নিজেও একজন দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি।

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, 'আমরা বহু দিন ধরেই বলে আসছি যে এই দেশে দলিতদের জন্য কোনও স্থান নেই। ধর্মের নামে ওরা সবাইকে বিভক্ত করছে। সেখানে 'যজ্ঞ' করার কী এমন প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল?' বিতর্কের সূত্রপাত মল্লিকার্জুন খাড়গের সভা থেকে। দিন দুই আগে ভোটমুখী উত্তরাখণ্ডের হলদিওয়ানির রামলীলা ময়দানে সভা করেন কংগ্রেস সভাপতি। পরদিনই ওই সভাস্থলে রীতিমতো পুজো অর্চনা করে ওই সভাস্থলে শুদ্ধিকরণ করায় একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। 'শ্রী রাম সেনা' নামের ওই সংগঠনের শুদ্ধিকরণের ছবি-ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরিয়ে পড়তেই আসরে নামে কংগ্রেস। তাঁদের দাবি, মল্লিকার্জুন খাড়গে দলিত হওয়ায় তাঁর সভাস্থল শুদ্ধিকরণ করছে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।
বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে রাজ্যসভায় সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, 'রামলীলা ময়দান এমন একটি জনসভার স্থান যা সব রাজনৈতিক দলই ব্যবহার করে। কিন্তু ওরা যা করেছে, তা প্রথমত হিন্দু ধর্মের মূল চেতনারই পরিপন্থী। দ্বিতীয়ত, ওরা দেশকে বিভক্ত করতে এবং বিভিন্ন জাতির মধ্যে সংঘাত উস্কে দিতে চাইছে।' ক্ষুব্ধ খাড়গে বলেন, 'আমি হলদিওয়ানির রামলীলা ময়দানে এক জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলাম, যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই ভাষণে আমি কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা ধর্মের নাম পর্যন্ত উল্লেখ করিনি; কেবল সরকারের সমস্যাগুলোই তুলে ধরেছিলাম। কিন্তু আমার বক্তব্যের পর, বিজেপির লোকেরা ওই মঞ্চ 'শুদ্ধ' করতে সেখানে একটি যজ্ঞের আয়োজন করে! এটাই কী গণতন্ত্রের নিয়ম? এভাবেই কি আপনারা সংবিধানকে রক্ষা করছেন? আমি এই কক্ষের বিরোধী দলনেতা (LoP)!' রাজ্যসভায় খাড়গের অভিযোগের জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ঘটনাটিকে 'অনভিপ্রেত ও দুর্ভাগ্যজনক' বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানান যে এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সদস্য জড়িত ছিলেন না এবং পুরো বিষয়টি তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ড প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গণেশ গৌডিয়াল বলছেন, 'এটাই বিজেপি এবং কংগ্রেসের আদর্শগত ফারাক। খাড়গে দলিত হওয়ায় এভাবে শুদ্ধিকরণ করা হল। এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। গোটা দলিত সমাজকে অপমান।' প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সাফ কথা, যারা এই ঘৃণ্য কাজটি করেছেন, তাঁরা সকলেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয় পুলিশ সুপার কেন ব্যবস্থা নিলেন না, সে প্রশ্নও তুলছেন কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি। কংগ্রেস অন্যান্য নেতারাও এই বিষয়টি নিয়ে সরব। যদিও বিজেপি ওই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্পষ্টত অস্বীকার করেছে। গেরুয়া শিবির বলছে, শ্রী রাম সেনার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, খাড়গের সভা থেকে আপত্তিকর কিছু স্লোগান উঠেছিল। অন্য ধর্মের জয়ধ্বনি করা হয়েছিল। রামলীলা ময়দান সনাতনীদের জন্য আবেগের জায়গা। সনাতনীরা ওই সব শ্লোগানে আঘাত পেয়েছেন।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ড প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গণেশ গৌডিয়াল বলছেন, 'এটাই বিজেপি এবং কংগ্রেসের আদর্শগত ফারাক। খাড়গে দলিত হওয়ায় এভাবে শুদ্ধিকরণ করা হল। এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। গোটা দলিত সমাজকে অপমান।' প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সাফ কথা, যারা এই ঘৃণ্য কাজটি করেছেন, তাঁরা সকলেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয় পুলিশ সুপার কেন ব্যবস্থা নিলেন না, সে প্রশ্নও তুলছেন কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি। কংগ্রেস অন্যান্য নেতারাও এই বিষয়টি নিয়ে সরব। যদিও বিজেপি ওই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্পষ্টত অস্বীকার করেছে। গেরুয়া শিবির বলছে, শ্রী রাম সেনার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, খাড়গের সভা থেকে আপত্তিকর কিছু স্লোগান উঠেছিল। অন্য ধর্মের জয়ধ্বনি করা হয়েছিল। রামলীলা ময়দান সনাতনীদের জন্য আবেগের জায়গা। সনাতনীরা ওই সব শ্লোগানে আঘাত পেয়েছেন।
{{/usCountry}}