INDIA bloc meeting: জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এক অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া।' তামিলনাড়ুতে ভরাডুবি এবং ডিএমকে-এর মতো শরিকের অনুপস্থিতিতে সোমবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছে বিরোধী জোট। শাসক দল ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আগামী দিনের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করতে এই বৈঠক। আর সেই হাইভোল্টেজ বৈঠকের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং বিদেশনীতি, প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকার চরম ব্যর্থ বলে দাবি করে তিনি বার্তা দেন, কেন্দ্রের এই অপশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিরোধী জোটের ঐক্য আরও মজবুত করা অত্যন্ত জরুরি।

আগেই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক বয়কট করেছে ডিএমকে। সিপিএম হাজির থাকলেও আগেই এই বৈঠক নিয়ে কড়া চিঠি দিয়েছে। নেই আপও। জোটে থাকলেও আসন নিয়ে কংগ্রেসের উপর ক্ষুব্ধ জেএমএমও। ফলে কার্যত ভাঙনের শঙ্কায় বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। আর সেই ভয় নিয়েই দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে শুরু হয় বিরোধী জোটের বৈঠক। যেখানে উপস্থিত রয়েছেন ২৩টি দলের বিরোধী দলের নেতা এবং তাঁদের প্রতিনিধিরা। বৈঠকে যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এমনকী রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী, ওমর আবদুল্লা, তেজস্বী যাদব এবং অখিলেশ সিংয়ের মতো নেতারাও এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন। এদিন বৈঠকের সূচনায় ভাষণ দেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। বিগত দিনের সাফল্যের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, গত ১৭ এপ্রিল লোকসভায় কেন্দ্রের 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা ডিলিমিটেশন প্রস্তাবকে যেভাবে জোট বেঁধে বিরোধীরা পরাস্ত করেছিল, তাতেই স্পষ্ট হয়েছে 'ইন্ডিয়া' জোটের শক্তি ঠিক কতটা। সেই একতাকে হাতিয়ার করেই আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলনের ডাক দেন তিনি।
বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করার অভিযোগ তোলেন কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর কথায়, 'সংবিধানের ওপর আক্রমণ এখনও অবাধে চলছে। রাজনৈতিক বিরোধীদের ভয় দেখাতে এবং কণ্ঠরোধ করতে ইডি-সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে লাগাতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বিজেপি।' পাশাপাশি, অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের জন্য কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, একদিকে রাজ্যগুলির অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশছোঁয়া দামের বোঝায় পিষে মরছে দেশের সাধারণ মানুষ। ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর)-এর নামে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র চলছে বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, একের পর এক সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার চরম অব্যবস্থার কারণে লক্ষ লক্ষ তরুণের ভবিষ্যৎ আজ অন্ধকারের মুখে। ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, ধুঁকতে থাকা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং মুষ্টিমেয় কিছু কর্পোরেট সংস্থার একচেটিয়া একাধিপত্য দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তাঁর দাবি, দেশজুড়ে দলিত ও প্রান্তিক মানুষের ওপর অত্যাচার ক্রমশ বাড়ছে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারের বিদেশনীতিকেও একহাত নিয়ে মল্লিকার্জুন খাড়গে দাবি করেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও অবস্থানকে কালিমালিপ্ত করেছে এই সরকার। তাঁর কথায়, 'আমাদের বিদেশনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ঐতিহ্যগত যে মূল্যবোধ ভারত দীর্ঘদিন ধরে বজায় রেখেছিল, তা এখন আর রক্ষা করা হচ্ছে না।'
{{/usCountry}}বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করার অভিযোগ তোলেন কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর কথায়, 'সংবিধানের ওপর আক্রমণ এখনও অবাধে চলছে। রাজনৈতিক বিরোধীদের ভয় দেখাতে এবং কণ্ঠরোধ করতে ইডি-সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে লাগাতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বিজেপি।' পাশাপাশি, অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের জন্য কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, একদিকে রাজ্যগুলির অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশছোঁয়া দামের বোঝায় পিষে মরছে দেশের সাধারণ মানুষ। ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর)-এর নামে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র চলছে বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, একের পর এক সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার চরম অব্যবস্থার কারণে লক্ষ লক্ষ তরুণের ভবিষ্যৎ আজ অন্ধকারের মুখে। ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, ধুঁকতে থাকা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং মুষ্টিমেয় কিছু কর্পোরেট সংস্থার একচেটিয়া একাধিপত্য দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তাঁর দাবি, দেশজুড়ে দলিত ও প্রান্তিক মানুষের ওপর অত্যাচার ক্রমশ বাড়ছে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারের বিদেশনীতিকেও একহাত নিয়ে মল্লিকার্জুন খাড়গে দাবি করেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও অবস্থানকে কালিমালিপ্ত করেছে এই সরকার। তাঁর কথায়, 'আমাদের বিদেশনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ঐতিহ্যগত যে মূল্যবোধ ভারত দীর্ঘদিন ধরে বজায় রেখেছিল, তা এখন আর রক্ষা করা হচ্ছে না।'
{{/usCountry}}