...
...
Next Story

Marco Rubio: 'আমরাও সহমত...,' পাক-মার্কিন সম্পর্ক ও ভারতের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী লড়াই নিয়ে বিশেষ বার্তা মার্কো রুবিও-র

Marco Rubio: মার্কো রুবিও বলেন, ভারত ও পাকিস্তান দুই প্রতিবেশীর মধ্যে যাতে নতুন করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা বড়সড় সংঘাতের রূপ না নেয়, সেক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত।

Updated on: Oct 22, 2026, 20:47:44 IST
Advertisement

Marco Rubio: পাকিস্তানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক জোড়ালো হলেও ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক বা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিনিময়ে হবে না। বৃহস্পতিবার এমনই বার্তা দিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ রুখতে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণ সহমত প্রকাশ করে একই দিশায় হাঁটছে।

পাক-মার্কিন সম্পর্ক ও ভারতের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী লড়াই নিয়ে বিশেষ বার্তা মার্কো রুবিও-র (AP)
পাক-মার্কিন সম্পর্ক ও ভারতের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী লড়াই নিয়ে বিশেষ বার্তা মার্কো রুবিও-র (AP)

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন, 'পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক কোনওভাবেই দিল্লির সম্পর্কের বিনিময়ে গড়ে উঠছে না।' তাঁর বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন ও দিল্লির চিন্তা-ভাবনা এবং উদ্বেগ হুবহু এক। ২০০৮ সালের ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঐতিহাসিক তাজমহল প্যালেস হোটেলে দাঁড়িয়েই এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি। ওয়াশিংটনের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রুবিও বলেন, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তান-সহ বিশ্বের নানা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে হয়। তাঁর দাবি, ইসলামাবাদের সঙ্গে এই কূটনৈতিক সম্পর্ক বহাল থাকলে সে দেশের নীতিগত এবং অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তগুলিতে ওয়াশিংটনের সদর্থক প্রভাব তৈরি করার সুযোগ থাকে।

মার্কো রুবিও বলেন, ভারত ও পাকিস্তান দুই প্রতিবেশীর মধ্যে যাতে নতুন করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা বড়সড় সংঘাতের রূপ না নেয়, সেক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত। তিনি জানান, ঐতিহাসিকভাবে ভারতের সঙ্গে মার্কিন বন্ধুত্বের ভিত্তি অত্যন্ত দৃঢ় ও সময় পরীক্ষিত। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পাকিস্তানের সঙ্গেও সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেছে মার্কিন প্রশাসন। ফলে দুই দেশের সঙ্গেই আলোচনা চালানোর একটি ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে। রুবিও আরও যোগ করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে কোনও যুদ্ধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেখতে চায় না, বরং সীমান্ত বাণিজ্যের আবহ তৈরি করে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতিতে জোর দেওয়ার পক্ষপাতি তারা। সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় ওয়াশিংটনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে রুবিও জঙ্গি হামলা মোকাবেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বজুড়ে উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আল-কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে খতম করার ঘটনা এবং আইসিস (ISIS) দমনে বিশ্বজুড়ে মার্কিন অভিযানের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানান, আন্তর্জাতিক উগ্রপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো জোরালো ভূমিকা বিশ্বের আর কোনও দেশ পালন করেনি। ভারত যে ধরণের সীমান্ত সন্ত্রাসবাদের সম্মুখীন হচ্ছে, সেই ধরনের উগ্রপন্থী চিন্তাভাবনার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের লড়াই সবসময় জারি থাকবে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks