Meta India Row: মেটার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত আপত্তিকর ছবি-ভিডিও (সিএসএএম), ডিপফেক কনটেন্ট এবং অন্যান্য ত্রুটি নিয়ে সংস্থার সিইও মার্ক জাকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে মেটা কর্তৃপক্ষের বৈঠকে এই বিষয়গুলি নিয়ে কড়া আলোচনা হয়।

সূত্রের খবর, বৈঠকে মেটার প্রতিনিধিরা স্বীকার করেছেন যে 'নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্ট' বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বা নির্দিষ্ট শ্রোতাদের লক্ষ্য করে প্রচারের জন্য বিপুল অর্থ খরচ করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ভুল বলে মেনে নিয়ে তারা ক্ষমা চেয়েছেন এবং দুঃখপ্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, বিষয়টি নিয়ে মেটা কর্তৃপক্ষকে আবারও তলব করা হবে। কেন্দ্র বৈঠকে মেটাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যদি কোনও প্ল্যাটফর্ম নিজেই ঠিক করে কোন ব্যবহারকারীর কাছে কোন কনটেন্ট পৌঁছবে, তাহলে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) আইনের অধীনে তাকে শুধুমাত্র 'মধ্যস্থতাকারী' হিসেবে ধরা যাবে না। এছাড়াও সরকার মেটার 'সেফ হারবার' সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। সরকারের বক্তব্য, কোনও প্ল্যাটফর্ম যদি কনটেন্ট বাছাই ও বিতরণে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে তাকে আর নিষ্ক্রিয় মধ্যস্থতাকারী বলে দাবি করার সুযোগ নেই।
তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার মেটার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স প্রধান জোয়েল কাপলান-সহ সংস্থার প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আপত্তিকর ও শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্ট প্রতিরোধে মেটার ভূমিকা নিয়ে সরকারের উদ্বেগ তুলে ধরা হয়। সরকারি সূত্রের দাবি, বৈঠকে মেটা শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে এবং এই বিষয়ে দুঃখপ্রকাশও করেছে। সূত্রের খবর, মেটার প্রতিনিধিরা প্রথমে ৩ আগস্ট আইটি টিম, ৫ আগস্ট আইটি সচিব এস. কৃষ্ণন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে বৈঠক করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স প্রধান জোয়েল কাপলান-সহ মেটার শীর্ষ কর্মকর্তারা সচিব এস. কৃষ্ণন এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ৪৫ মিনিট ধরে আলোচনা করেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২৩ জুলাইয়ের ভিডিও সাময়িক ভাবে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গকে তিন দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছিল সংসদের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক স্থায়ী কমিটি। সূত্রের দাবি, তা না হলে ভারতে মেটার 'সেফ হারবার' সুরক্ষা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হতে পারে। একই সঙ্গে কমিটি সতর্ক করেছিল, গুগল, ইউটিউব, এক্স, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট-সহ সব বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট (সিএসএএম) এবং নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ-সংক্রান্ত বিষয়বস্তু নিয়ে ভারতের প্রচলিত আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ডিলিট করাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর হামলা’ বলে চিহ্নিত করেছে। কমিটির মতে, এর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ভারতীয়র প্রতিনিধিকে নিশানা করা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুকের ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্রত্যাহার করা হলে ভারতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটির কর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ফৌজদারি মামলা বা এফআইআর দায়েরের আইনি পথ সুগম হবে।
{{/usCountry}}এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২৩ জুলাইয়ের ভিডিও সাময়িক ভাবে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গকে তিন দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছিল সংসদের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক স্থায়ী কমিটি। সূত্রের দাবি, তা না হলে ভারতে মেটার 'সেফ হারবার' সুরক্ষা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হতে পারে। একই সঙ্গে কমিটি সতর্ক করেছিল, গুগল, ইউটিউব, এক্স, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট-সহ সব বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট (সিএসএএম) এবং নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ-সংক্রান্ত বিষয়বস্তু নিয়ে ভারতের প্রচলিত আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ডিলিট করাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর হামলা’ বলে চিহ্নিত করেছে। কমিটির মতে, এর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ভারতীয়র প্রতিনিধিকে নিশানা করা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুকের ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্রত্যাহার করা হলে ভারতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটির কর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ফৌজদারি মামলা বা এফআইআর দায়েরের আইনি পথ সুগম হবে।
{{/usCountry}}