Modi's Video Removal and Zuckerberg Role: 'ভারতকে অস্থির করে তুলতে চান জুকারবার্গ', মোদীর ভিডিয়ো সরানোয় দাবি BJP সাংসদের
Modi's Video Removal and Zuckerberg Role: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভিডিয়ো কয়েক ঘণ্টার জন্য ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মেটার প্রধান মার্ক জুকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে, উঠল এমনই দাবি। সেই দাবি তুললেন নিশিকান্ত দুবে।
Modi's Video Removal and Zuckerberg Role: ভারতকে অস্থির করে তুলতে চান মার্ক জুকারবার্গ। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রধান তথা বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। সোমবার তিনি দাবি করেছেন, কয়েক ঘণ্টার জন্য ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভিডিয়ো সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যক্তিগত ক্ষমা চাওয়া উচিত মেটার প্রধান জুকারবার্গের। আবার কয়েকজন সদস্য আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পক্ষেও সওয়াল করেছেন। প্রয়োজনে সুরক্ষাকবচ তুলে নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

'মারাত্মক ভুল, নাহলে মোদীর ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা'
আর সেইসব মন্তব্য উঠে এসেছে স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকের পরে। সূত্রের খবর, ঘণ্টাতিনেক ধরে চলা বৈঠকের সময় নিশিকান্ত দাবি করেন যে ফেসবুক থেকে মোদীর ভিডিয়ো সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি মারাত্মক ভুল নাহলে প্রধানমন্ত্রী ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য মেটা এবং ইনস্টাগ্রামের ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা।
সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, যদি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এরকম আচরণ করে মেটা, তাহলে ভারতের সাধারণ মানুষ কী আশা করতে পারেন? মোদীর ভিডিয়ো সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাকে নেহাতই প্রযুক্তিগত ত্রুটি বলে দায় ঝেড়ে ফেলে যাবে না বলেও দাবি করেছেন নিশিকান্ত।
‘এটাই প্রমাণ করে যে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করাই হল জুকারবার্গের উদ্দেশ্য’
পরবর্তীতে বৈঠকের পরে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কনটেন্ট (ভিডিয়ো) সরিয়ে দিয়েছে মেটা ইন্ডিয়া। এই প্রথমবার মেটা ইন্ডিয়া এরকম কাজ করল না। আপনারা যদি মনে করেন, দেখবেন যে ২০২৪ সালের (লোকসভা) নির্বাচন নিয়ে নিজেই একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন জুকারবার্গ এবং পরে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলেন। এটাই প্রমাণ করে যে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করাই হল তাঁর উদ্দেশ্য। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর একটি ভিডিয়ো যখন সরিয়ে ফেলা হয় এবং নিজেরাই স্বীকার করে যে রাত ১২ টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত সেই কন্টেন্ট উধাও ছিল, তখন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর হয়ে দাঁড়ায়।’
১০ দিন দেওয়া হল মেটাকে, কড়া পদক্ষেপের দাবি বিজেপি সাংসদের
যে ভিডিয়ো নিয়ে মেটার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি তোলা হয়েছে, তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্র আন্দোলনের সময় করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ একগুচ্ছ দাবি তুলে দিল্লিতে আন্দোলন চালাচ্ছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আন্দোলন চলছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। সেই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। যা কোটি-কোটি মানুষ দেখেছিলেন।
কিন্তু কয়েক ঘণ্টার জন্য সেই ভিডিয়ো সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যে ঘটনার জন্য সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে মেটার প্রতিনিধিরা ক্ষমা চেয়েছেন বলে সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজেপির এক সাংসদ দাবি করেছেন যে শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না। দায়ভার নিতে হবে। সেইসঙ্গে পুরো ঘটনায় ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে মেটাকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দিয়েছে স্ট্যান্ডিং কমিটি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


