...
...
Next Story

Qatar LNG explosion: জ্বালানি সংকটের শঙ্কা! কাতারের প্রাকৃতিক গ্যাস হাবে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আহত ৫৪

Qatar LNG explosion: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'কাতারএনার্জি'-র দেওয়া তথ্য অনুসারে, রাস লাফান শিল্প এলাকার বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে রফতানি কার্যক্রম পুনরায় শুরুর প্রস্তুতির সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের পর সেখানে আগুন ধরে যায়, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়।

Published on: Jun 22, 2026 02:55 PM IST
Advertisement

Qatar LNG explosion: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান ভূ-রাজনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেই কাতারের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি কেন্দ্রে (এলএনজি) ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কাতার প্রশাসনের প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিস্ফোরণের জেরে অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং আরও ১৮ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি ইরানের হামলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কাতারের সবচেয়ে বৃহৎ রাস লাফান শিল্প শহরের প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি কেন্দ্রটি। সেটিকে মেরামতি করে রবিবার কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু, এই কাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রবিবার গভীর রাতে এই শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটল।

কোথায় ও কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা?

কাতারের প্রাকৃতিক গ্যাস হাবে ভয়াবহ বিস্ফোরণ (সৌজন্যে টুইটার)
কাতারের প্রাকৃতিক গ্যাস হাবে ভয়াবহ বিস্ফোরণ (সৌজন্যে টুইটার)

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'কাতারএনার্জি'-র দেওয়া তথ্য অনুসারে, রাস লাফান শিল্প এলাকার বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে রফতানি কার্যক্রম পুনরায় শুরুর প্রস্তুতির সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের পর সেখানে আগুন ধরে যায়, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। আগুনের লেলিহান শিখা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে বহু দূর থেকেও তা দৃশ্যমান হচ্ছিল। শিল্পাঞ্চলের বাকি অংশে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য দমকল বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, অন্ধকার আকাশে দূরে উঁচু হয়ে আগুনের শিখা জ্বলছে। আকাশজুড়ে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায় এবং উপরে একটি ছোট উজ্জ্বল বস্তুও দেখা যাচ্ছিল। যদিও ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।

কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন যে অল্প কয়েকজন মানুষ আহত হয়েছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক হতাহতের সংখ্যা সংশোধন করে জানায় যে, অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং ১৮ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আরও বলেছে, বিস্ফোরণের কারণে এলএনজি কেন্দ্র থেকে কোনও গ্যাস লিক হয়নি। জননিরাপত্তার ক্ষেত্রেও তাৎক্ষণিক কোনও ঝুঁকি তৈরি হয়নি। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে। নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য কাতারি ইন্টারন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ গ্রুপ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ কাতার বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানিকারক দেশ। যুদ্ধ চলাকালীন ইরান হরমুজ প্রণালীর উপর নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার পর কাতার গ্যাস উৎপাদন স্থগিত করেছিল, যার ফলে আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের কাছে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়। সংঘাতের স্থায়ী সমাধান নিয়ে আলোচনা চলতে থাকায় এবং এই কৌশলগত জলপথে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ রফতানি টার্মিনালে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেয়।

কাতারের প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি কেন্দ্র

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe