...
...
Next Story

রাস্তায় সিসিটিভি লাগিয়ে সেনার গতিবিধির খবর পাকিস্তানে পাঠানোর ছক! স্পাই মডিউলের পর্দাফাঁস, ধৃত ২২

জেরা শুরু হতেই উঠে আসে পাকিস্তান থেকে অপারেট করা নওশাদ আলি, সুহেল মালিকদের নাম। সেখান থেকেই জানিয়ে দেওয়া হত, কোন জায়গার ছবি, কোন অ্যাঙ্গেল থেকে তুলতে হবে, ছবি ভিডিয়ো কাদের পাঠাতে হবে।

Published on: Mar 23, 2026, 17:42:41 IST
Advertisement

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কিত এক তাবড় স্পাই নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁস করে ছাড়ল উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ২০২৫ সালে পহেলগাঁও হামলা, দিল্লিতে বিস্ফোরণের রেশ কাটতে না কাটতেই, পাকিস্তানের সঙ্গে যোগসাজশ রাখা এক সন্দেহভাজন গুপ্তচরবৃত্তির হদিশ পায় উত্তর প্রদেশ পুলিশ। তদন্তকারীদের ধারণা, এই নেটওয়ার্কের হাত ধরে জম্মু ও কাশ্মীরে পহেলগাঁওর পর দ্বিতীয় বড় কোনও হামলার ছক কষা হচ্ছিল সম্ভবত।

রাস্তায় সিসিটিভি লাগিয়ে সেনার গতিবিধির খবর পাকিস্তানে পাঠানোর ছক! নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁস, ধৃত ২২
রাস্তায় সিসিটিভি লাগিয়ে সেনার গতিবিধির খবর পাকিস্তানে পাঠানোর ছক! নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁস, ধৃত ২২

পুলিশের নজরে এই নেটওয়ার্ক পড়ে যায় ১৪ মার্চ ২০২৬এ। অ্যান্য দিনের মতো সেদিনও গাজিয়াবাদ পুলিশের কাছে রুটিন কিছু গোপন তথ্য আসে। নজর যায় কিছু সন্দেহভাজন যুবকের ওপর। পুলিশ দেখে উত্তর প্রদেের ভোবাপুরে রেলস্টেশন, মিলিটারি ঘাঁটিগুলির ছবি নিচ্ছে। পুলিশ তদন্ত জোরালো করতেই দেখে ছবি যাচ্ছে দেশের বাইরে। এই ছবি তোলা যুবকদের সম্পর্কেই আগে পুলিশের কাছে গোপন খবর গিয়েছিল। এরপর কোমর কষতে থাকে পুলিশ। জানা যায়, ওই যুবকদের টাকার বিনিময়ে ছবি, ভিডিয়ো পাঠানোর লোভ দেখানো হয়। এই কাজের জন্য ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেমেন্ট দেওয়া হত। এরপর তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে গুপ্তচর নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁস করে নাবালক, মহিলা সহ ২২ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত ৬ জনের ফোনের গ্যালারি ঘেঁটে পুলিশ দেখে, এমন কিছু রেলওয়ে স্টেশন বা জায়গার ছবি রয়েছে যা, ভারতীয় সেনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তথ্য হাতে আসতেই পুলিশের কাছে স্পষ্ট হতে থাকে, কোনও পরিকাঠামো নির্ভর একটি অপারেশন চলছে শত্রুপক্ষের তরফে!

জানা যাচ্ছে, ধৃতদের মধ্যে ৪ থেকে ৬ জন জম্মু ও কাশ্মীর সম্প্রতি গিয়েছিল। সেখানে তারা সংবেদনশীল তথ্য পাকিস্তানকে পাচার করেছে বলে খবর। তাতেই পুলিশের সন্দেহ হয়, সম্ভবত, ভূস্বর্গে আরও কোনও বড় নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল।

এসআইটি জানতে পারে, ওই গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, দিল্লি-জম্মু রেলওয়ে করিডরে সোলার পাওয়ার সম্পন্ন সিসিটিভি বসানোর চেষ্টা করছিল। উদ্দেশ্য ছিল সেনার গতিবিধির 'লাইভ ফিড' পাকিস্তানের পাঠানো। যা দিয়ে তারা ভারতীয় সেনার গতিবিধি নজরে রাখতে পারে। এদিকে, দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট ও হরিয়ানার সোনিপতে এমন সক্রিয় ক্যামেরার হদিশও পেয়েছে পুলিশ। তদন্ত বলছে, সারা দেশে এমন ৫০ টি ইনস্টলেশনের বন্দোবস্তের দিকে যাওয়ার প্ল্যান ছিল ওই গুপ্তচরবাহিনীর।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe