Mayawati Strong Acction: বহুজন সমাজ পার্টির (BSP) প্রধান মায়াবতী বৃহস্পতিবার তাঁর ভাইপো আকাশ আনন্দকে দলের জাতীয় সমন্বয়কের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। এই নিয়ে তৃতীয়বার তাঁকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরানো হল। মায়াবতী জানান, দলের কোনও বড় সাংগঠনিক দায়িত্ব পাওয়ার আগে আকাশের আরও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রয়োজন রয়েছে।

কয়েক মাস আগেই আকাশ আনন্দকে দলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে অপসারণ করার পর পুনঃবহাল করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে বৃহস্পতিবার বিএসপি নেত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, আকাশ আনন্দ বিএসপি-র সঙ্গেই থাকবেন এবং তাঁকে দলের মধ্যে অন্য দায়িত্ব দেওয়া হবে। বিএসপি-র সর্বভারতীয় এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়। মায়াবতী বলেন, আকাশ আনন্দ দলের হয়ে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন, তবে তাঁর আরও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অর্জন করা প্রয়োজন। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, আপাতত তাঁকে কোনও বড় দায়িত্ব দেওয়া হবে না। মায়াবতী বলেন, 'আমি আকাশ আনন্দকে দলে কাজ করার অনুমতি দিয়েছি, যা আপনারা সকলেই জানেন। তবে এই বিষয়ে আকাশ আনন্দের এখনও আরও পরিণত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। ততদিন পর্যন্ত তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দলের দায়িত্ব দেওয়া উপযুক্ত হবে না।'
বিএসপি সুপ্রিমো আরও বলেন, দলের অস্তিত্ব রক্ষা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করা জরুরি। একই সঙ্গে ঘুষ, ভয় দেখানো এবং বৈষম্যের মতো কৌশলের মাধ্যমে বিরোধীরা যাতে দলকে দুর্বল করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে বলে জানান তিনি। বিএসপি প্রধান জানিয়েছেন, দলের মূল লক্ষ্য হল বহুজন সমাজের স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের বৃহত্তর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শোষিত জনগোষ্ঠীকে শাসক শ্রেণীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করা অপরিহার্য। সেই সঙ্গেই মায়াবতী আরও ঘোষণা করেন যে, কোনও জোটের ওপর নির্ভর না করে বিএসপি এককভাবে নির্বাচনে লড়বে। তিনি জানান, বিধানসভা নির্বাচন-সহ দেশের আসন্ন সব নির্বাচনেই দলটি স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
এদিকে, মায়াবতীর ঘোষণার পর আকাশ আনন্দ তাঁর এক্স প্রোফাইলেও পরিবর্তন আনেন। গত বছর তাঁকে দলের জাতীয় আহ্বায়ক করা হলেও এখন তাঁর প্রোফাইলে নিজেকে শুধু বিএসপি কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেছেন আকাশ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের আগস্টে আকাশ আনন্দকে বিএসপি-র জাতীয় আহ্বায়ক করা হয়েছিল। এর ফলে তিনি কার্যত দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে উঠে এসেছিলেন এবং মায়াবতীর রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর সম্ভাবনাও স্পষ্ট হয়েছিল। এর আগে মায়াবতী জানিয়েছিলেন, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিএসপির রাজনৈতিক সম্ভাবনা পুনরুজ্জীবিত করতে আকাশ আনন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। দলের থেকে দূরে সরে যাওয়া তরুণ ভোটারদের ফের বিএসপির সঙ্গে যুক্ত করার দায়িত্বও তাঁর হাতে দেওয়া হয়েছিল। গত মাসে হাথরস থেকে বিএসপি নির্বাচনী প্রচারের সূচনা করার পর আকাশ আনন্দই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মায়াবতীর এই পদক্ষেপকে ঘিরে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে।
{{/usCountry}}এদিকে, মায়াবতীর ঘোষণার পর আকাশ আনন্দ তাঁর এক্স প্রোফাইলেও পরিবর্তন আনেন। গত বছর তাঁকে দলের জাতীয় আহ্বায়ক করা হলেও এখন তাঁর প্রোফাইলে নিজেকে শুধু বিএসপি কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেছেন আকাশ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের আগস্টে আকাশ আনন্দকে বিএসপি-র জাতীয় আহ্বায়ক করা হয়েছিল। এর ফলে তিনি কার্যত দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে উঠে এসেছিলেন এবং মায়াবতীর রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর সম্ভাবনাও স্পষ্ট হয়েছিল। এর আগে মায়াবতী জানিয়েছিলেন, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিএসপির রাজনৈতিক সম্ভাবনা পুনরুজ্জীবিত করতে আকাশ আনন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। দলের থেকে দূরে সরে যাওয়া তরুণ ভোটারদের ফের বিএসপির সঙ্গে যুক্ত করার দায়িত্বও তাঁর হাতে দেওয়া হয়েছিল। গত মাসে হাথরস থেকে বিএসপি নির্বাচনী প্রচারের সূচনা করার পর আকাশ আনন্দই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মায়াবতীর এই পদক্ষেপকে ঘিরে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে।
{{/usCountry}}