ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। দীর্ঘ আলোচনা, মতপার্থক্য এবং একাধিক দফার দর-কষাকষির পর দুই দেশই চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে আশাবাদী। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পর এই বিষয়ে বড় আপডেট দিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।

বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানিয়েছেন, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের নেতারাও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁদের লক্ষ্য, এমন একটি চুক্তি করা যা উভয় দেশের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ, পারস্পরিক লাভজনক এবং বাণিজ্যিকভাবে অর্থবহ হবে।
জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের বৈঠককে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রায় ১৬ মাস পর দুই নেতার এটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক মুখোমুখি বৈঠক। বৈঠকে বাণিজ্যের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়ও উঠে আসে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি।
মার্কিন প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার শীঘ্রই ভারত সফরে আসবেন। তাঁর সফরে চুক্তির বাকি বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। উভয় পক্ষই আশা করছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তির প্রথম পর্যায় চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও বৈঠকের পর বলেছেন, ভারত ও আমেরিকা একটি বাণিজ্য চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর মতে, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার জন্য এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। ভারতীয় পণ্যের জন্য মার্কিন বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে আমেরিকান সংস্থাগুলিও ভারতের দ্রুতবর্ধনশীল বাজারে আরও বেশি প্রবেশাধিকার পাবে। পাশাপাশি প্রযুক্তি, উৎপাদন, জ্বালানি এবং পরিষেবা খাতেও সহযোগিতা বাড়বে। সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিনের ওঠাপড়ার পর ভারত-আমেরিকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এখন বাস্তবায়নের খুব কাছাকাছি। দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
{{/usCountry}}বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। ভারতীয় পণ্যের জন্য মার্কিন বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে আমেরিকান সংস্থাগুলিও ভারতের দ্রুতবর্ধনশীল বাজারে আরও বেশি প্রবেশাধিকার পাবে। পাশাপাশি প্রযুক্তি, উৎপাদন, জ্বালানি এবং পরিষেবা খাতেও সহযোগিতা বাড়বে। সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিনের ওঠাপড়ার পর ভারত-আমেরিকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এখন বাস্তবায়নের খুব কাছাকাছি। দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
{{/usCountry}}