...
...
Next Story

MEA on India China: সীমান্ত অশান্ত হয় ‘যখন চিনের বাহিনী টহলদারির ধরন পাল্টায়..’, অরুণাচল-উদ্বেগের মাঝে মুখ খুলল দিল্লি

রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘চিনের বাহিনী প্রতিষ্ঠিত টহলদারির ধরন পাল্টে দেয় যখন, তখনই ভারত-চিন সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি সময়ে সময়ে বিঘ্নিত হয়।’

Published on: Oct 23, 2026, 20:24:09 IST
Advertisement

অরুণাচল সীমান্তে ভারত-চিন সেনার মধ্যে সংঘাতের আবহ কি এখনও চলছে? এদিন এই জল্পনা উস্কে দিয়েছেন ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের প্রধান শত্রুজিৎ সিং কাপুর। এরপরই বেলা গড়াতে না গড়াতেই এই বিষয়ে মুখ খুলল বিদেশমন্ত্রক। দিল্লির তরফে সীমান্ত ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি নিয়ে বিশদে জানতে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

সীমান্ত অশান্ত হয় ‘যখন চিনের বাহিনী নজরদারির ধরন পাল্টায়..’, মুখ খুলল দিল্লি. (PTI)
সীমান্ত অশান্ত হয় ‘যখন চিনের বাহিনী নজরদারির ধরন পাল্টায়..’, মুখ খুলল দিল্লি. (PTI)

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান এবং ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে ভারত ও চিন বিদ্যমান কূটনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে চলেছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। এর আগে, এদিন আইটিবিপি প্রধান শত্রুজিৎ সিং কাপুরের এক মন্তব্যের পর থেকেই অরুণাচল সীমান্তে কী ঘটছে, তা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নে উত্তর দিতে গিয়ে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘চিনের বাহিনী প্রতিষ্ঠিত টহলদারির ধরন পাল্টে দেয় যখন, তখনই ভারত-চিন সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি সময়ে সময়ে বিঘ্নিত হয়।’ এদিন তাঁর বক্তব্যে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘উন্নত সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য উভয় পক্ষ উপযুক্ত এলাকাগুলোতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) সম্পর্কে তাদের বোঝাপড়া উন্নত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করতেও সম্মত হয়েছে। আমি আরও জোর দিয়ে বলতে চাই যে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks