দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলি হানার প্রতিবাদে শান্তি চুক্তির পরও ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এদিকে, লেবাননে ইজরায়েলি হামলায় মৃত্যু সংবাদ আসতে শুরু করেছে। ঘটনা পরম্পরা নিয়ে যখন ফের উদ্বেগের পারদ চড়ছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে নিয়ে একটি পোস্ট করেন।যে পোস্টের পরই তুমুল ক্ষুব্ধ মেলোনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পকে কার্যত বলেই দিয়েছেন, ‘নিজের চরকায় তেল দিন’!

মেলোনি বনাম ট্রাম্প সংঘাত পর্বে, এর আগে, সদ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি পোস্ট করেন। সেখানে লেখা হয়,' ইতালিতে তাঁর (মেলোনি) জনপ্রিয়তা এখন নিম্নমুখী, এর একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে যে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা তৈরির প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখার প্রশ্নে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে..এমন একটি দেশ যা প্রকৃতপক্ষে ইতালিকে ভালোবাসে ও সুরক্ষা দেয়, কিন্তু ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা বন্ধ করার বিষয়ে তিনি আমেরিকাকে কোনও সাহায্য করেননি (অবশ্য নেটোরও সেই একই ভূমিকা ছিল)।' এরপর ট্রাম্প লিখছেন,' এমনকি তিনি (মেলোনি) আমাদের ইতালির ল্যান্ডিং স্ট্রিপ বা রানওয়েগুলো ব্যবহার করতেও দেননি,যা ছিল এক বড় ধরনের লজিস্টিক্যাল বা কৌশলগত অসুবিধা,অথচ বাস্তবতা হল, ইতালি এবং অন্যান্য তথাকথিত ন্যাটো মিত্রদের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে থাকে।'
এরপর আসে ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট-বাণ! জর্জিয়া মেলোনি তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘আমার জনপ্রিয়তার কথা যদি বলি, তবে আপনার বন্ধু হওয়াটা নিশ্চিতভাবেই তাতে কোনও সহায়তা করেনি, আবার আপনার সাথে আমার সম্পর্কের ওপরও তা নির্ভর করে না। আমার জনপ্রিয়তা নির্ভর করে ইতালির জাতীয় স্বার্থ রক্ষার ক্ষমতার ওপর—আর ঠিক সেটাই আমি সর্বদা করে এসেছি।’ এরপর মেলোনি লেখেন, 'আমার জনপ্রিয়তা নিয়ে আপনার কী! আমি পরামর্শ দিই আপনি নিজেরটাতে মন দিন।'
সদ্য এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছিলেন, জি ৭র ফাঁকে ‘উনি (মেলোনি) আমার সঙ্গে একটা ছবি তোলার জন্য বায়না করছিলেন।’ এরপর ট্রাম্প বলেন,' আমি হয়তো ছবিটা তুলতাম না। কিন্তু ওঁর জন্য আমার খারাপ লাগছিল।' তখনও পাল্টা জবাব দেন মেলোনি। তিনি বলেন,' ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পূর্ণ বানিয়ে বানিয়ে কথা বলছেন। আমি তো অবাক হয়ে যাচ্ছি।'
{{/usCountry}}সদ্য এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছিলেন, জি ৭র ফাঁকে ‘উনি (মেলোনি) আমার সঙ্গে একটা ছবি তোলার জন্য বায়না করছিলেন।’ এরপর ট্রাম্প বলেন,' আমি হয়তো ছবিটা তুলতাম না। কিন্তু ওঁর জন্য আমার খারাপ লাগছিল।' তখনও পাল্টা জবাব দেন মেলোনি। তিনি বলেন,' ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পূর্ণ বানিয়ে বানিয়ে কথা বলছেন। আমি তো অবাক হয়ে যাচ্ছি।'
{{/usCountry}}এদিকে, এরই মাঝে বিশ্ববাণিজ্যের উদ্বেগ বাড়িয়ে ফের একবার হরমুজ প্রণালী বন্দ করে দিল ইরান। লেবাননে ইজরায়েলের হামলাকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের স্বাক্ষরিত চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে হরমুজ বন্ধ করেছে ইরান।