...
...
Next Story

DK Shivakumar cabinet: 'বিবেকের বিরুদ্ধে...,' কর্ণাটকে কোন্দল, শিবকুমারের শপথের ৩ দিনের মধ্যে পদত্যাগ মন্ত্রীর

DK Shivakumar cabinet: বেঙ্গালুরু ডেভেলপমেন্ট দফতর না পাওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রামালিঙ্গা রেড্ডি। মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার তাঁকে বৃহৎ ও মাঝারি সেচ দফতরের দায়িত্ব দেন।

Published on: Jun 5, 2026, 13:42:37 IST
Advertisement

DK Shivakumar cabinet: কর্ণাটকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের মন্ত্রিসভা গঠনের মাত্র তিন দিনের মাথায় ইস্তফা দিলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা রামালিঙ্গা রেড্ডি। কাঙ্ক্ষিত দফতর না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। শুক্রবার বেঙ্গালুরুতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা জানান, নিজের 'বিবেকের' বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব বণ্টনে তাঁকে 'অপমান' করা হয়েছে। রামালিঙ্গা রেড্ডির এই পদক্ষেপ রাজ্যের শাসকদল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।

ডিকে শিবকুমারের শপথের ৩ দিনের মধ্যে পদত্যাগ মন্ত্রীর (@INCKarnataka X)
ডিকে শিবকুমারের শপথের ৩ দিনের মধ্যে পদত্যাগ মন্ত্রীর (@INCKarnataka X)

বেঙ্গালুরু ডেভেলপমেন্ট দফতর না পাওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রামালিঙ্গা রেড্ডি। মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার তাঁকে বৃহৎ ও মাঝারি সেচ দফতরের দায়িত্ব দেন। এ সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে তিনি পদত্যাগের পথ বেছে নেন। এদিন সাংবাদিকদের সামনে নিজের পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করার পর রেড্ডি বলেন, 'দু’বার আমাকে বলা হয়েছিল যে বেঙ্গালুরু ডেভেলপমেন্ট দফতর আমার হাতে তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু তা না হওয়ায় আমি হতাশ। সেই কারণেই মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।' তিনি আরও বলেন, 'আমি আমার পদ থেকে পদত্যাগ করছি কারণ নিজের 'বিবেকের' বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। আর কতদিন এই অপমান সহ্য করব? আমার সামনে আর কী বিকল্প ছিল?’

বৃহস্পতিবার কর্ণাটক সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রকের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। রামলিঙ্গা রেড্ডিকে কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানালেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, এমনকী দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তা নিয়ে যারা তাঁর কাছে গিয়েছিলেন, তাদেরও তিনি জানান যে পরামর্শ দেওয়ার সময় ইতিমধ্যে পেরিয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার পরিস্থিতিকে খুব একটা উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন না। তিনি বলেন, ‘চিন্তার কিছু নেই। রামালিঙ্গা রেড্ডি আমার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। মন্ত্রিসভায় আমরা সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের একজন তিনি। আমরা বিষয়টির সমাধান করে ফেলব।’

কংগ্রেসেই থাকছেন রামালিঙ্গা রেড্ডি

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe