...
...
Next Story

Parliamentary Panel: ৩০ দিন হেফাজতে থাকলেই মন্ত্রিত্ব খারিজ! সায় নেই যৌথ সংসদীয় কমিটির, কিন্তু কেন?

Parliamentary Panel: আগামী সপ্তাহেই যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট গৃহীত হবে সংসদে। পিটিআই জানাচ্ছে, সেখানে ‘অপসারণ’ শব্দের বদলে ‘নিলম্বন’ শব্দটি ব্যবহারের সুপারিশ করেছে কমিটি। ‘গুরুতর অপরাধ’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে, সেই ব্যাখ্যাও করেছে কমিটি।

Published on: Jul 12, 2026, 20:39:02 IST
Advertisement

Parliamentary Panel: প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে পাঁচ বছর বা তার বেশি সাজাযোগ্য ফৌজদারি মামলায় টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলে তাঁদের অপসারণের জন্য বিল এনেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ৩০ দিন হেফাজতে থাকা মানেই তাঁদের অপসারণের পক্ষপাতী নয় সংসদীয় যৌথ কমিটি (জেপিসি)। এ ক্ষেত্রে ওই মন্ত্রীদের নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করার সুপারিশ করেছে তারা।

৩০ দিন হেফাজতে থাকলেই মন্ত্রিত্ব খারিজ! সায় নেই যৌথ সংসদীয় কমিটির (Sansad TV via PTI Photo)
৩০ দিন হেফাজতে থাকলেই মন্ত্রিত্ব খারিজ! সায় নেই যৌথ সংসদীয় কমিটির (Sansad TV via PTI Photo)

২০২৫ সালের অগস্টে সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ পর্বে কেন্দ্রীয় সরকার ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করে। প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধনী অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনও মন্ত্রী ৩০ দিন হেফাজতে থাকলে এবং নিজে থেকে পদ না ছাড়লে, ৩১তম দিনে তাঁদের মন্ত্রিত্ব চলে যাবে। সংসদে ওই বিল পেশ হওয়ার পরেই তা পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয় যৌথ কমিটির কাছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রীদের অপসারণে সায় নেই যৌথ সংসদীয় কমিটির। বরং গুরুতর অপরাধের অভিযোগে টানা ৩০ দিনে হেফাজতে থাকলে তাঁদের নিলম্বিত করার প্রস্তাব দিয়েছে কমিটি। পাশাপাশি, নিলম্বিত হওয়ার পরে কেউ বেকসুর খালাস হলে নিলম্বনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারেরও সুপারিশ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি না হলেও নিলম্বনের সিদ্ধান্ত বদলের প্রস্তাব দিয়েছে কমিটি।

আগামী সপ্তাহেই যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট গৃহীত হবে সংসদে। পিটিআই জানাচ্ছে, সেখানে ‘অপসারণ’ শব্দের বদলে ‘নিলম্বন’ শব্দটি ব্যবহারের সুপারিশ করেছে কমিটি। ‘গুরুতর অপরাধ’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে, সেই ব্যাখ্যাও করেছে কমিটি। জেপিসি-র মতে, যে অপরাধের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর বা তার বেশি সময়ের কারাদণ্ডের সম্ভাবনা থাকে, সেগুলিকে ‘গুরুতর অপরাধ’ বলে বিবেচনা করা হবে। যৌথ সংসদীয় কমিটির মতে, নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পরে যাতে মন্ত্রিত্বে পুনর্বহালের সুযোগ থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই রক্ষাকবচটি থাকা প্রয়োজন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe