...
...
Next Story

CWG 2026: কমনওয়েলথ গেমসে সোনার হ্যাটট্রিক করে কেন কেঁদে ফেলেছিলেন? জানালেন চানু নিজেই

CWG 2026: ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসিকেও কাঁদতে দেখা গিয়েছিল। তিনিও বলেছিলেন, সে শুধু আনন্দাশ্রু ছিল না। রবিবার অসাধারণ সাফল্যের পর মীরাবাই চানুও বললেন, এমন কিছুই, যা তাঁর আবেগের বহিপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই না।

Published on: Jul 27, 2026, 23:25:08 IST
Advertisement

CWG 2026: রবিবার বিশ্বের দরবারে আরও একবার ভারতের নাম উজ্জ্বল করলেন ভারতের তারকা ভারোত্তোলক মীরাবাই চানু। দাপুটে পারফরম্যান্স করে কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড তৈরি করে টানা তৃতীয়বার স্বর্ণপদক জয় করে ভারতের নাম উজ্জ্বল করলেন তিনি। গ্লাসগোতে আয়োজিত এই গেমসে এটি ছিল ভারতের প্রথম স্বর্ণপদক। ৪৮ কেজি ভারোত্তোলন ক্যাটাগরিতে স্ন্যাচ বিভাগে ৮৫ কেজি, তারপরে ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে ১০৫ কেজি ওজন তুলে মোট ১৯০ কেজি ওজন তুলে ইতিহাস গড়েন তারকা মহিলা ক্রীড়াবিদ। তবে পদক জয়ের কৃতিত্বের সঙ্গে চর্চা শুরু হয়েছে জাতীয় সঙ্গীতের সময় তাঁর কান্না নিয়েও। কেন এই কান্না? এ কী শুধুই সোনা জেতার আনন্দে, নাকি অন্য কোনও কারণও লুকিয়ে রয়েছে এর পিছনে।

কমনওয়েলথে সোনা জয়ের হ্যাটট্রিকের পর আবেগে ভাসলেন মীরাবাই চানু (HT_PRINT)
কমনওয়েলথে সোনা জয়ের হ্যাটট্রিকের পর আবেগে ভাসলেন মীরাবাই চানু (HT_PRINT)

ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসিকেও কাঁদতে দেখা গিয়েছিল। তিনিও বলেছিলেন, সে শুধু আনন্দাশ্রু ছিল না। রবিবার অসাধারণ সাফল্যের পর চানুও বললেন, এমন কিছুই, যা তাঁর আবেগের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই না। কিন্তু কেনই বা এতটা আবেগে ভেসে গেলেন চানু? সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘জীবনে আমি যা যা পেরিয়ে এসেছি, চোখে জল এসে গিয়েছিল সে সব ভেবেই, শুধু সোনা জয়ের আনন্দে নয়। এত কষ্ট, এত ত্যাগ, এত কঠিন সময়—সব কিছু মনে পড়ে গিয়েছিল।' গত কয়েক বছর ধরে চোট, ওজন নিয়ন্ত্রণের লড়াই এবং প্রবল মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। সেই প্রসঙ্গ টেনেই চানু বলেন, ‘অনেক সময় মনে হয়েছে সবকিছু খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমি জানতাম, আমাকে ফিরে আসতেই হবে। দেশের জন্য সোনা জেতাই ছিল একমাত্র লক্ষ্য।’

মঞ্চে জাতীয় সঙ্গীত বাজতে শুরু করার মুহূর্তটাই ছিল সবচেয়ে আবেগঘন। দেশের জাতীয় পতাকা ওঠার সময় আর তাঁর চোখের জল বাধ মানেনি। সেই অনুভূতির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মীরাবাই বলেন, ‘জাতীয় সঙ্গীত বাজতে শুরু করলে চোখে জল চলে আসে। সে আনন্দের কান্না। কারণ, আমি ভারতের জন্য প্রথম সোনা জিততে পেরেছি। কিন্তু আজ চোখে জল শুধু আনন্দে আসেনি, অতীতের লড়াইয়ের কথা ভেবেও চোখে জল চলে আসে আমার। এত কষ্ট করার পরে সাফল্য এলে তো এমন হবেই।' প্যারিস অলিম্পিকে মাত্র এক কেজি কম ওজন তোলার জন্য পদক হাতছাড়া হয়েছিল। সেই হতাশা কাটিয়ে গ্লাসগোয় আবার সোনার মঞ্চে ওঠা মীরাবাই চানুর কাছে তাই এই জয় শুধুমাত্র একটি পদক জেতা নয়, বরং নিজের প্রতি বিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম এবং অদম্য মানসিক শক্তির সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe