...
...
Next Story

‘মোদীজি কোথাও যাবেন না’, বিজেপির নতুন স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ CJP নেতা সৌরভের, স্মৃতি ইরানির পোস্ট ঘিরে বিতর্ক

ঠিক কী বলেছেন সৌরভ? স্মৃতি ইরানির একটি পোস্ট ভাগ করে নিয়ে তিনি লেখেন, ‘মোদীজি কোথাও যাবেন না’—কোনও রাজনীতিকের নিজের সম্পর্কে করা সবচেয়ে বড় অহংকারের প্রকাশ হতে পারে এই স্লোগান। সাধারণ মানুষ এমন মনোভাব পছন্দ করেন না।

Published on: Nov 2, 2026, 14:05:32 IST
Advertisement

বিজেপির নতুন রাজনৈতিক স্লোগান নিয়ে এবার সরব হলেন ককোরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতা সৌরভ দাস। ‘মোদীজি কোথাও যাবেন না’—বিজেপির এই প্রচারকে রাজনৈতিক অহংকার বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, এই স্লোগানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রবল আকাঙ্ক্ষা এবং রাজনৈতিক উদ্বেগ প্রকাশ পাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন সৌরভ। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ স্মৃতি ইরানির একটি সমাজমাধ্যমের পোস্টও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপি এবং বিরোধীদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাতের আবহে CJP নেতার এই মন্তব্য নতুন করে চর্চা শুরু করেছে।

বিজেপির নতুন রাজনৈতিক স্লোগান নিয়ে এবার সরব হলেন ককোরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতা সৌরভ দাস। (HT_PRINT)
বিজেপির নতুন রাজনৈতিক স্লোগান নিয়ে এবার সরব হলেন ককোরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতা সৌরভ দাস। (HT_PRINT)

ঠিক কী বলেছেন সৌরভ? স্মৃতি ইরানির একটি পোস্ট ভাগ করে নিয়ে তিনি লেখেন, ‘মোদীজি কোথাও যাবেন না’—কোনও রাজনীতিকের নিজের সম্পর্কে করা সবচেয়ে বড় অহংকারের প্রকাশ হতে পারে এই স্লোগান। সাধারণ মানুষ এমন মনোভাব পছন্দ করেন না। তাঁর মতে, এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে চরম হতাশা, গভীর ভয় এবং সব সময় ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছা প্রকাশ পাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, রবিবার স্মৃতি ইরানি একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই ছবিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে দেখা যায় তাঁকে। তাঁদের পিছনে একটি পোস্টার ছিল। তাতে লেখা ছিল, ‘মোদীজি কোথাও যাবেন না’। সেই ছবিকেই হাতিয়ার করে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন CJP নেতা।

কিন্তু বিজেপির এই স্লোগানের সূত্রপাত কোথায়?

গত অক্টোবর মাসে বিহারের পটনায় একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে। সেখানে তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়। পরে কংগ্রেসের তরফে সাফাই দেওয়া হলেও পাল্টা প্রচারে নামে বিজেপি। বিরোধীদের বক্তব্যের জবাব দিতেই ‘মোদীজি কোথাও যাবেন না’ স্লোগান সামনে আনা হয়। একাধিক রাজ্যে বিজেপির সভা এবং মিছিলেও এই স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। গুজরাত-সহ বিভিন্ন জায়গায় এই প্রচার চালানো হয়েছে। এবার সেই প্রচারকেই নিশানা করল CJP।

এর আগে অভিজিৎ দীপকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে বিরোধী সমাবেশের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। দিল্লির যন্তর মন্তরে CJP-র আন্দোলনের সময় মমতা তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকার গ্রেফতারির সময়ও মমতা তাঁদের সমর্থন করেছিলেন বলে জানান অভিজিৎ।

অন্য দিকে, বিজেপিও ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচি নিয়ে একাধিক রাজ্যে সভা ও মিছিলের আয়োজন করছে। সোমবার বিজেপির সভাপতি নীতিন নবীন বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরও তেলঙ্গানায় পদযাত্রা করার কথা রয়েছে।

এর আগে দিল্লির চাঁদনি চক এলাকায় বিজেপির সভা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল CJP। তাদের অভিযোগ ছিল, বিজেপি সভা করার অনুমতি পেলেও একই ধরনের কর্মসূচি করতে অন্য সংগঠনগুলিকে অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। সব মিলিয়ে, বিজেপির নতুন স্লোগানকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও বাড়ল। বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে সমর্থন জানানো এবং বিজেপির প্রচারকে অহংকার বলে আক্রমণ, দুই ক্ষেত্রেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল CJP।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks