ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরে সম্প্রতি নিজের 'প্রথম বার্তা' প্রকাশ করেছিলেন মোজতবা খামেনেই। তবে এই মোজতবা নাকি কোমায় আছেন বলে দাবি করা হল রিপোর্টে। খামেনেই নাকি মার্কিন হামলায় গুরুতর ভাবে জখম এবং তাঁর একটি অঙ্গ পর্যন্ত বাদ পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই জল্পনার মাঝেই আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, মোজতবা 'কোনও মতে বেঁচে আছেন'। এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে জনসমক্ষে উপস্থিত হননি মোজতবা।
ফক্স নিউজ রেডিওতে দ্য ব্রায়ান কিলমিড শোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মোজতবা খামেনেই বেঁচে আছেন কি না। এর দবাবে ট্রাম্প বলেন, 'আমার মনে হয় তিনি সম্ভবত বেঁচে আছেন। তবে তিনি চোট পেয়েছেন। যদিও কোনও রকমে বেঁচে আছেন তিনি।' এর আগে এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, মোজতবা একটি পা হারিয়েছেন। এছাড়া তাঁর পেট বা লিভারেরও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তেহরানের সিনা বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
৫৬ বছর বয়সি মোজতবা খামেনেইকে সম্প্রতি তাঁর বাবা আলি খামেনেইর উত্তরসূরি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ইরানের নয়া সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগে পর্যন্ত ইরানের অন্তর্বর্তী দায়িত্বে ছিল তিন সদস্যের এক কাউন্সিল। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বেই ওই কাউন্সিল গঠন করা হয়েছিল। পেজেশকিয়ান ছাড়াও সেই কাউন্সিলে ছিলেন আলিরেজা আরাফই এবং ইরানি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেন মোহসেনি।
প্রসঙ্গত, ১৯৬৯ সালে ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন মোজতবা। মোজতবা ইরানের শিয়া ধর্মতাত্ত্বিক শিক্ষাকেন্দ্র কোমের মাদ্রাসা থেকে ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। বছর ৫৬-র মোজতবা এর আগে কখনও কোনও সরকারি পদে ছিলেন না। তবে তরুণ বয়সে তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধে অংশ নেন বলে জানা জানা যায়। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে বাবার কার্যালয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। এই মোজতবার নাকি বিদেশে প্রচুর সম্পত্তি। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, লন্ডনের এক বিলাসবহুল আবাস এবং সুইস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অর্থ মিলিয়েই মোজতবার আছে ১৩৮ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি। এছাড়াও আরও দেশি বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি আছে। এদিকে তাঁর ছেলে মোজতবাকে যাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা না করা হয়, নিজের দলিলে নাকি এমনটাই ইচ্ছা প্রকাশ করে গিয়েছিলেন আলি খামেনেই। তবে আইআরজিসির চাপে নাকি মোজতবাকেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ১৯৬৯ সালে ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন মোজতবা। মোজতবা ইরানের শিয়া ধর্মতাত্ত্বিক শিক্ষাকেন্দ্র কোমের মাদ্রাসা থেকে ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। বছর ৫৬-র মোজতবা এর আগে কখনও কোনও সরকারি পদে ছিলেন না। তবে তরুণ বয়সে তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধে অংশ নেন বলে জানা জানা যায়। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে বাবার কার্যালয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। এই মোজতবার নাকি বিদেশে প্রচুর সম্পত্তি। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, লন্ডনের এক বিলাসবহুল আবাস এবং সুইস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অর্থ মিলিয়েই মোজতবার আছে ১৩৮ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি। এছাড়াও আরও দেশি বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি আছে। এদিকে তাঁর ছেলে মোজতবাকে যাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা না করা হয়, নিজের দলিলে নাকি এমনটাই ইচ্ছা প্রকাশ করে গিয়েছিলেন আলি খামেনেই। তবে আইআরজিসির চাপে নাকি মোজতবাকেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}