Modi amid Cockroach Janta Party Protest: 'এরকম আন্দোলন সরকারের খামতিই তুলে ধরে', ককরোচদের বিক্ষোভের আবহে বললেন মোদী
Modi amid Cockroach Janta Party Protest: 'এরকম আন্দোলন সরকারের খামতিই তুলে ধরে, কিন্তু…..', ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভের আবহে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেইসঙ্গে নিশানা করলেন রাহুল গান্ধীকে।
Modi amid Cockroach Janta Party Protest: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভের আবহেই আন্দোলনের ইতিবাচক দিকে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি দাবি করলেন, যে কোনও সরকারের খামতি প্রকাশ্যে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এরকম আন্দোলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাতে আদতে দেশেরই লাভ হয়। মঙ্গল হয় সিস্টেমের। কিন্তু এরকম যে কোনও আন্দোলনের মধ্যে কংগ্রেস সেটাকে নষ্ট করে দেয় বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কংগ্রেসের অন্দরে এখন ‘দিমাগি নকশাল’-দের রমরমা। তাঁদের কারণেই কংগ্রেস নিজেদের চিন্তাশক্তিও হারিয়ে ফেলেছে বলে দাবি করেন মোদী।

'দিমাগি নকশালরা কংগ্রেসের মাথাকে খেয়ে ফেলেছে', আক্রমণ মোদীর
আজ সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির ওয়ার্ল্ড সামিটে মোদী বলেন, ‘যে ধরনের আন্দোলন স্বাভাবিকভাবেই সরকারের খামতি তুলে ধরতে চায়, যা বাস্তবে সিস্টেমের উন্নতি করতে চায়, সেগুলিকেও ধ্বংস করে দেয় কংগ্রেস। কংগ্রেস তো পরজীবীতে পরিণত হয়েছে, যারা অন্য কাউকে এগিয়ে যেতে দেয় না। দিমাগি নকশালরা যেভাবে কংগ্রেসের মাথাকে খেয়ে ফেলেছে যে ওদের নিজেদেরই চিন্তাশক্তি লোপ পেয়েছে। আগে যারা জঙ্গলে বিনাশ করত, তারা এখন কংগ্রেসে ঢুকে পড়ে দেশের সর্বনাশ করতে লেগে পড়েছে।’
ককরোচদের আন্দোলনের মধ্যেই বড় মন্তব্য মোদীর
আর তিনি সেই মন্তব্য যখন করেছেন, যখন ককরোচদের আন্দোলনের রেশ চলছে। দুই ককরোচ সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার গ্রেফতারির পরে সাময়িকভাবে আন্দোলনে বিরতির ঘোষণা করেছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। যে ককরোচ জনতা পার্টি মাসকয়েক আগেই নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আন্দোলন চালিয়েছে। ইস্তফা দিয়েছেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
পরবর্তীতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টি। কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধীরাও আন্দোলন চালাতে থাকে। সিজেপির আন্দোলনে সমর্থন জানাতে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা।
'যতবার শ্রীহরিকোটা থেকে রকেট উৎক্ষেপণ না করা হয়…', রাহুলকে খোঁচা মোদীর
সেই আবহে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন মোদী। বিশেষত নাম না করে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে খোঁচা দিয়েছেন। ওই সামিটে মোদী বলেন, ‘এক বছরে শ্রীহরিকোটা থেকে এত (রকেট) উৎক্ষেপণ করা হয় না, যতবার এক বছরে কংগ্রেসের লোকজন নিজেদের নেতাকে লঞ্চ করার অসফল চেষ্টা করেছেন। কংগ্রেসের নিজের যে দুর্দশা, তাতে আমাদের কোনও সমস্যা নেই।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


