২০০৮ সালের নভেম্বর মাসের ২৬ তারিখ। গোটা মুম্বই সেদিন পাকিস্তানি জঙ্গি তাণ্ডবে রক্তাক্ত হয়েছিল। হামলার নেপথ্যে ছিল লস্কর-ই-তৈবার কুচক্রীরা। সেই লস্কর ই তৈবার চিফ হাফিজ সইদকে এবার নতুন করে এক প্যাঁচে ফেলতে চলেছে মুম্বই পুলিশ। এবার ময়দান আইনের। আর সেই ময়দানে ফের চর্চায় আইনজীবী উজ্জ্বল নিকম। যে উজ্জ্বল নিকম, মুম্বই হামলার একমাত্র ধৃত জঙ্গি কাসাবের বিরুদ্ধে কোর্টে ঝড় তুলেছিলেন। যে কাসাবের শেষ পর্যন্ত পরিণতি হয় মৃত্যুদণ্ডে।

এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, মুম্বই পুলিশ সরকারিভাবে এবার লস্কর জঙ্গি চিফ হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে ট্রায়াল ইন অ্যাবসেনশিয়া শুরু করতে চলেছে। অর্থাৎ, কোনও অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে চলা মামলা। আর এই মামলা শুরু হচ্ছে ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার কেসে। আনুষ্ঠানিকভাবে এক চিঠিতে আইনজীবী উজ্জ্বল নিকমের কাছে মুম্বই পুলিশ এক অনুরোধ সূচক চিঠি পাঠিয়েছে, যেখানে কোর্টে এই মামলার প্রক্রিয়া শুরুর অনুরোধ করা হয়েছে তাঁকে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ৩৫৬ ধারায় এই মামলার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাফিজ ছাড়াও এই মামলায় জাকি উর রহমান লাকভি, সাজিদ মীর, আবু আলকামা, আবু কোয়াহাফা, মেজর আবদুর রহমান পাশার বিরুদ্ধেও একই মামলা এগোবে। প্রসঙ্গত, এদের নিয়ে ভারত বহুবার সরব হলেও পাকিস্তান এই জঙ্গিদের নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি। প্রশ্ন হল, এই জঙ্গিদের অনুপস্থিততে যদি ভারতে এদের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তাতে তারা দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে কী হতে পারে! তথ্য বলছে, যদি এরা, ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল-এ (অনুপস্থিত অবস্থায় মামলা চলা) দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তাদের যখনই ভারতে আনা হবে, তৎক্ষণাৎ তাদের সাজা ঘোষণা ও সাজা দেওয়া হবে।
ইতিমধ্যেই পহেলগাঁও হামলা নিয়ে জম্মু কোর্ট হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করেছে। এর আগে, এনআইএ তার তদন্তে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে হাফিজ সইদকে হামলার মাস্টারমাইন্ড বলে ব্যাখ্যা করেছে। বহু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করে, পাকিস্তানে মহাল তবিয়তে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রয়েছে লস্কর চিফ হাফিজ, যার অঙ্গুলি হেলনে ২০০৮ সালে মুম্বইতে জঙ্গি হামলায় শতাধিক মৃত্যু ও ৩০০ জন আহত হয়। ২০২৫ সালে পহেলগাঁওতে জঙ্গি হানায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়।
{{/usCountry}}ইতিমধ্যেই পহেলগাঁও হামলা নিয়ে জম্মু কোর্ট হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করেছে। এর আগে, এনআইএ তার তদন্তে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে হাফিজ সইদকে হামলার মাস্টারমাইন্ড বলে ব্যাখ্যা করেছে। বহু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করে, পাকিস্তানে মহাল তবিয়তে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রয়েছে লস্কর চিফ হাফিজ, যার অঙ্গুলি হেলনে ২০০৮ সালে মুম্বইতে জঙ্গি হামলায় শতাধিক মৃত্যু ও ৩০০ জন আহত হয়। ২০২৫ সালে পহেলগাঁওতে জঙ্গি হানায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়।
{{/usCountry}}