...
...
Next Story

Terrorist Hafiz Saeed:চর্চায় ২৬/১১! হাফিজকে নিয়ে নতুন করে কোমর কষছে মুম্বই পুলিশ, আইনি ময়দানে…

ইতিমধ্যেই আইনজীবী উজ্জ্বল নিকমের কাছে চিঠি গিয়েছে মুম্বই পুলিশের। সেখানে কোন অনুরোধ করা হয়েছে?

Published on: Aug 18, 2026, 19:54:43 IST
Advertisement

২০০৮ সালের নভেম্বর মাসের ২৬ তারিখ। গোটা মুম্বই সেদিন পাকিস্তানি জঙ্গি তাণ্ডবে রক্তাক্ত হয়েছিল। হামলার নেপথ্যে ছিল লস্কর-ই-তৈবার কুচক্রীরা। সেই লস্কর ই তৈবার চিফ হাফিজ সইদকে এবার নতুন করে এক প্যাঁচে ফেলতে চলেছে মুম্বই পুলিশ। এবার ময়দান আইনের। আর সেই ময়দানে ফের চর্চায় আইনজীবী উজ্জ্বল নিকম। যে উজ্জ্বল নিকম, মুম্বই হামলার একমাত্র ধৃত জঙ্গি কাসাবের বিরুদ্ধে কোর্টে ঝড় তুলেছিলেন। যে কাসাবের শেষ পর্যন্ত পরিণতি হয় মৃত্যুদণ্ডে।

চর্চায় ২৬/১১! হাফিজকে নিয়ে নতুন করে কোমর কষছে মুম্বই পুলিশ, আইনি ময়দানে…. (PTI/File) (HT_PRINT)
চর্চায় ২৬/১১! হাফিজকে নিয়ে নতুন করে কোমর কষছে মুম্বই পুলিশ, আইনি ময়দানে…. (PTI/File) (HT_PRINT)

এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, মুম্বই পুলিশ সরকারিভাবে এবার লস্কর জঙ্গি চিফ হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে ট্রায়াল ইন অ্যাবসেনশিয়া শুরু করতে চলেছে। অর্থাৎ, কোনও অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে চলা মামলা। আর এই মামলা শুরু হচ্ছে ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার কেসে। আনুষ্ঠানিকভাবে এক চিঠিতে আইনজীবী উজ্জ্বল নিকমের কাছে মুম্বই পুলিশ এক অনুরোধ সূচক চিঠি পাঠিয়েছে, যেখানে কোর্টে এই মামলার প্রক্রিয়া শুরুর অনুরোধ করা হয়েছে তাঁকে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ৩৫৬ ধারায় এই মামলার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাফিজ ছাড়াও এই মামলায় জাকি উর রহমান লাকভি, সাজিদ মীর, আবু আলকামা, আবু কোয়াহাফা, মেজর আবদুর রহমান পাশার বিরুদ্ধেও একই মামলা এগোবে। প্রসঙ্গত, এদের নিয়ে ভারত বহুবার সরব হলেও পাকিস্তান এই জঙ্গিদের নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি। প্রশ্ন হল, এই জঙ্গিদের অনুপস্থিততে যদি ভারতে এদের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তাতে তারা দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে কী হতে পারে! তথ্য বলছে, যদি এরা, ইন অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল-এ (অনুপস্থিত অবস্থায় মামলা চলা) দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তাদের যখনই ভারতে আনা হবে, তৎক্ষণাৎ তাদের সাজা ঘোষণা ও সাজা দেওয়া হবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe