...
...
Next Story

Blue Drum Murder Case: নীল ড্রাম হত্যাকাণ্ডের নয়া মোড়! ১৩ মাস পর দোষী সাব্যস্ত মিরাটের মুসকান-সাহিল

Blue Drum Murder Case: ১২৬টি শুনানি এবং ২২ জন সাক্ষীর জবানবন্দির পরে জেলা বিচারক অরবিন্দ কুমার মিশ্র রায় দেন যে, মুসকান রাস্তোগী ও সাহিল শুক্লা ২৯ বছর বয়সি প্রাক্তন মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুতকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছিল।

Published on: Sep 30, 2026, 23:43:30 IST
Advertisement

Blue Drum Murder Case: উত্তরপ্রদেশের মিরাটের চাঞ্চল্যকর ‘নীল ড্রাম’ হত্যাকাণ্ডের ১৩ মাস পর, বুধবার একটি স্থানীয় আদালত নিহত প্রাক্তন মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুতের স্ত্রী মুসকান রাস্তোগী এবং তাঁর প্রেমিক সাহিল শুক্লাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। তবে সাজা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। আগামী ১৫ দিন পর তাদের চূড়ান্ত সাজা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

নীল ড্রাম হত্যাকাণ্ডের নয়া মোড়! (PTI)
নীল ড্রাম হত্যাকাণ্ডের নয়া মোড়! (PTI)

১২৬টি শুনানি এবং ২২ জন সাক্ষীর জবানবন্দির পরে জেলা বিচারক অরবিন্দ কুমার মিশ্র রায় দেন যে, মুসকান রাস্তোগী ও সাহিল শুক্লা ২৯ বছর বয়সি প্রাক্তন মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুতকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছিল এবং কংক্রিট ও বালি ব্যবহার করে তাঁর খণ্ডবিখণ্ড দেহ একটি নীল ড্রামের ভিতরে লুকিয়ে রেখেছিল। বিচারক মন্তব্য করেছেন, এই ধরনের অপরাধ বৃহত্তর সমাজে ভীতি সৃষ্টি করে। এই মামলা ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ আদালতে ওঠে এবং ১৯ মার্চ মুসকান ও সাহিলকে মিরাট জেলে পাঠানো হয়। আদালতে প্রায় ১৩ মাস ধরে সওয়াল-জবাব চলে। রায় ঘোষণার আগে জেলা সরকারি আইনজীবী কৃষ্ণ কুমার চৌবে বলেন, 'আদালতে সমস্ত তথ্য পেশ করা হয়েছে, সাক্ষীরা তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন করিয়েছেন এবং এই মামলা সংক্রান্ত সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু রায় ঘোষণাই বাকি রয়েছে এবং আগামীকাল (৩০ সেপ্টেম্বর) মামলার পরবর্তী শুনানি। রায় ঘোষণা ছাড়া আর কিছুই বাকি নেই।' পরিবারের তরফে দু'জনের মৃত্যুদণ্ডের দাবি করা হয়েছে।

২০২৫ সালের ৩ মার্চ মুসকান রাস্তোগী তাদের ইন্দ্র নগরের বাড়িতে খাবারে বিষ মিশিয়ে তাঁর স্বামী সৌরভ রাজপুতকে অচেতন করে। এর কিছুক্ষণ পরেই তার প্রেমিক সাহিল শুক্লা সেখানে পৌঁছয় এবং তারা দু’জন মিলে রাজপুতকে ছুরির কোপ মেরে হত্যা করার পরে বাথরুমে তাঁর দেহ ১৫ টুকরো করে ফেলে। তদন্তে প্রকাশ পায়, প্রমাণ লোপাটের জন্য তারা খণ্ডিত দেহের অংশগুলি একটি বড় নীল প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে, সেটিতে বালি, জল ও সিমেন্টের মিশ্রণ ভরে মুখ বন্ধ করে দেয়। পরদিন তারা দু’জন হিমাচল প্রদেশে পালিয়ে যায়। এদিকে, সৌরভের সঙ্গে দীর্ঘদিন ফোনে কথা না হওয়ায় থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবার‌। তখনই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। স্ত্রী ও বন্ধুকে আটক করে জেরা শুরু করে তারা। পুলিশি জেরায় খুনের ঘটনাটি স্বীকার করে নেয় তারা।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks