...
...
Next Story

সীমান্তে পৃথক ২ অভিযান, নিষ্ক্রিয় ৬ আইইডি, গ্রেফতার ৩ জঙ্গি

গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর ভারতীয় সেনা, অসম রাইফেলস এবং মণিপুর পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অভিযানে একটি প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগও ব্যবহার করা হয়। তেংনৌপাল জেলার মোরে থানার অধীন ভারত-মায়ানমার সীমান্তের ৭২ ও ৭৩ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভের কাছে এই অভিযান চালানো হয়।

Published on: Aug 3, 2026, 09:32:46 IST
Advertisement

মণিপুরে জঙ্গি দমনে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে পৃথক দুটি অভিযানে ছয়টি শক্তিশালী ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) উদ্ধার করে সেগুলি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি–মীয়ামগী ফিংনাং লানমি (কেসিপি-এমএফএল)-এর তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার এই তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা।

গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর ভারতীয় সেনা, অসম রাইফেলস এবং মণিপুর পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করে।
গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর ভারতীয় সেনা, অসম রাইফেলস এবং মণিপুর পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করে।

নিরাপত্তা সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর ভারতীয় সেনা, অসম রাইফেলস এবং মণিপুর পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অভিযানে একটি প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগও ব্যবহার করা হয়। তেংনৌপাল জেলার মোরে থানার অধীন ভারত-মায়ানমার সীমান্তের ৭২ ও ৭৩ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভের কাছে এই অভিযান চালানো হয়।

তল্লাশির সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে একাধিক অস্ত্র ও বিস্ফোরক আসে। উদ্ধার হয় একটি ৯ এমএম পিস্তল, একটি ডাবল-ব্যারেল বন্দুক, ছয়টি ওয়্যারলেস রেডিও সেট, দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড এবং ছয়টি আইইডি। নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থলেই বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে আইইডিগুলি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়। ফলে বড় ধরনের নাশকতার সম্ভাবনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

অন্যদিকে, চন্দেল জেলার মোলচাম থানার অন্তর্গত গামফাজল গ্রামের কাছে আরও একটি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। ভারত-মায়ানমার সীমান্তের ৬৯ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভের কাছে এই অভিযানে নিষিদ্ধ কেসিপি-এমএফএল সংগঠনের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত তিন জঙ্গি এবং উদ্ধার হওয়া সমস্ত অস্ত্র ও সামগ্রী সংশ্লিষ্ট থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এই জঙ্গিদের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না।

নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, মণিপুরে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার রুখতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে ভারত-মায়ানমার সীমান্তের দুর্গম এলাকাগুলিতে নজরদারি অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় মোট ১১৩টি নাকা বা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সেখানে যানবাহন এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তল্লাশিও চালানো হচ্ছে।

নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, সীমান্ত এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারির ফলে জঙ্গিদের গতিবিধি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে পরিস্থিতির উপর এখনও কড়া নজর রাখা হচ্ছে, যাতে কোনও ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা সফল হতে না পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe