...
...
Next Story

Mysterious Death: ‘৭ লক্ষ যৌতুকের পরও চেয়েছিল গাড়ি!' লখনউয়ে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারের রহস্যমৃত্যু

Mysterious Death: পুলিশে দায়ের করা এফআইআর অনুযায়ী, কানপুরের বাসিন্দা মানসীর সঙ্গে ২০২৪ সালে লখনউয়ের বাসিন্দা সাগর রাজপুতের বিয়ে হয়েছিল। তাঁরা দুজনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামে সাগরের ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ৮ লক্ষের কাছাকাছি ছিল।

Published on: Jun 1, 2026, 13:13:04 IST
Advertisement

Mysterious Death: উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে এক জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের মৃতদেহ উদ্ধারের তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম মানসী। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, পণের দাবিতে স্বামী সাগর রাজপুত এবং শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যরা মিলে মানসীকে খুন করার পর, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মৃতদেহ সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দিতে চেয়েছিল।

লখনউয়ে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারের রহস্যমৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)
লখনউয়ে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারের রহস্যমৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশে দায়ের করা এফআইআর অনুযায়ী, কানপুরের বাসিন্দা মানসীর সঙ্গে ২০২৪ সালে লখনউয়ের বাসিন্দা সাগর রাজপুতের বিয়ে হয়েছিল। তাঁরা দুজনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামে সাগরের ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ৮ লক্ষের কাছাকাছি ছিল। মানসীর পরিবারের দাবি, বিয়ের সময় তাঁরা সাগরের পরিবারকে নগদ ৭ লক্ষ টাকা এবং ঘর সাজানোর বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী ‘উপহার’ হিসেবে দিয়েছিলেন। কিন্তু এই বিপুল অঙ্কের যৌতুকেও সন্তুষ্ট ছিল না সাগরের পরিবার। অভিযোগে আরও জানানো হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই বাড়ি থেকে পর্যাপ্ত যৌতুক না আনার অভিযোগে মানসীকে প্রতিনিয়ত কটূক্তি ও মানসিক হেনস্থার শিকার হতে হতো। সম্প্রতি শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত যৌতুক হিসেবে একটি দামি গাড়ির দাবি করা হচ্ছিল।

মানসীর পরিবারের অভিযোগ, অতিরিক্ত যৌতুকের দাবি পূরণ না হওয়ায় তাঁর ওপর শুরু হয় চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। অত্যাচারের কথা মানসী ফোনে নিজের বাড়িতে জানিয়েছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বেশ কয়েকবার কানপুর থেকে লখনউয়ে এসে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মধ্যস্থতা করার চেষ্টাও করেছিলেন। শনিবার মানসীর বাড়ির সদ্যসরা জানতে পারেন যে, তাঁদের মেয়ে নাকি আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু তাঁদের দাবি, এটা কোনও সাধারণ আত্মহত্যা নয়; বরং ঠান্ডা মাথায় খুন করার পর প্রমাণ লোপাটের জন্য আত্মহত্যা বলে সাজানো হয়েছে। এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, নিহতের পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মানসীর স্বামী সাগর রাজপুত এবং তাঁর পরিবারের আরও পাঁচজন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন-মানসীর স্বামী সাগর রাজপুত, শ্বশুর রাজেশ, দেওর অনু, ননদ বরখা ও চাঁদনী এবং পিসি শাশুড়ি আশা। মূল অভিযুক্ত সাগর রাজপুতকে ইতিমধ্যেই হেফাজতে নিয়ে ম্যারাথন জেরা করছে পুলিশ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks