পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এখনও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরানি বাহিনী। এরই মাঝে আসতে চলেছে ইদ। এই আবহে ইদের শুভেচ্ছা জানাতে এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানা গিয়েছে, কথোপকথনের সময় অসামরিক পরিকাঠামোর ওপরে ইরানের চলমান হামলার নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এগিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ যাতায়াতের বিষয়েও কথা হয় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এদিকে সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৯ জন ভারতীয়কে গ্রেফতার করা হয়। সেই গ্রেফতারির পরে এটাই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে প্রথম কথোপকথন। তবে তা নিয়ে এই দুজনের কোনও কথা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং আবু ধাবির বহু হোটেল, ভবন, বন্দরে হামলা চালিয়েছে ইরান। দুবাইয়ের বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানি মিসাইলের আঘাতে। এমনকী দুবাইয়ের বিমানবন্দরেও আছড়ে পড়েছে ইরানের মিসাইল। দুবাইয়ে মেরিনার টাওয়ার, বিলাসবহুল পাম জুমেইরা এলাকার ফেয়ারমন্ট দ্য পাম হোটেল, বুর্জ আল আরব হোটেল থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছে। যদিও এই সব জায়গায় হামলার বিষয়টি সরকারি ভাবে স্বীকার করছে না আমিরাতি সরকার। শুধু তাই নয়, দুবাই বিমানবন্দরে হামলার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সত্ত্বেও সে দেশের সরাকারি টিভি চ্যানেলে দাবি করা হয়েছে, বিমানবন্দরে নাকি কোনও হামলাই হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে প্রতিহত করার কাজ করছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তাদের হিসেব মতো ইরানের অধিকাংশ মিসাইল এবং ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে সেই সব মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে গিয়ে নাকি বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুবাইতে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান, নেপালি নাগরিকদের মৃত্যু ঘটেছে ইরানের মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে।
এদিকে ইরান যুদ্ধের আবহে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের। এই পরিস্থিতিতে ইরানের হামলার কোনও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার ক্ষেত্রে 'নিষেধাজ্ঞা' জারি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ। তবে এর মাঝেও সত্যি লুকিয়ে রাখতে পারছে না তারা। আবার অনেক ক্ষেত্রে ভুয়ো দাবিও করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধ সংক্রান্ত কন্টেন্ট পোস্ট করায় ৩৫ জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সম্প্রতি। তাদের মধ্যে ১৯ জন ভারতীয়।
{{/usCountry}}এদিকে ইরান যুদ্ধের আবহে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের। এই পরিস্থিতিতে ইরানের হামলার কোনও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার ক্ষেত্রে 'নিষেধাজ্ঞা' জারি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ। তবে এর মাঝেও সত্যি লুকিয়ে রাখতে পারছে না তারা। আবার অনেক ক্ষেত্রে ভুয়ো দাবিও করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধ সংক্রান্ত কন্টেন্ট পোস্ট করায় ৩৫ জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সম্প্রতি। তাদের মধ্যে ১৯ জন ভারতীয়।
{{/usCountry}}