Dharmendra Pradhan on NEET: নিট-ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিতর্কের মাঝেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট)-এর স্নাতক স্তরের পরীক্ষার ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার এক সংবাদিক বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে স্নাতক ডাক্তারি পরীক্ষাটি কম্পিউটার-ভিত্তিক (সিবিটি) পদ্ধতিতে হবে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জালিয়াতি রুখতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'এনটিএ যেখানে যেখানে ব্যর্থ হবে, আমাদের তা সংশোধন করতে হবে এবং এর জন্য এনটিএ-ই দায়ী থাকবে।' গত ৩ মে চিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতকে ভর্তির পরীক্ষা (নিট) দেন ২২ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী। তারপর থেকেই উঠতে শুরু করে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ। রাজস্থান পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পারে, পরীক্ষার প্রায় এক মাস আগে থেকে ‘সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র’ ঘুরছিল বাজারে। অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন বিলি হচ্ছিল। সেই সম্ভাব্য প্রশ্নের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল অনেক প্রশ্নই। তারপরই গত ১২ মে পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, 'একবার যখন আমরা নিশ্চিত হলাম যে প্রশ্নফাঁস হয়েছে, তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য সুযোগ নিয়ে কোনও আপস করা যাবে না।'
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন ওঠে এনটিএ-র অন্দরের যোগসাজশ নিয়ে। মন্ত্রী বলেন, 'গোটা বিষয়টি সিবিআই তদন্ত করে দেখবে। এনটিএ-র কোথায় খামতি ছিল, তা খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' পড়ুয়াদের দুর্ভোগের জন্য দুঃখপ্রকাশ করে মন্ত্রী জানিয়েছেন, জালিয়াতদের দৌরাত্ম্য রুখতে সরকার বদ্ধপরিকর। সেই সঙ্গে বড় ঘোষণা- আগামী বছর থেকে নিট পরীক্ষা আর কলম-কাগজে নয়, হবে কম্পিউটারে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরণের কোনো নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় এবং পরীক্ষার মান অক্ষুণ্ণ থাকে, তা নিশ্চিত করতেই ওএমআর শিট পদ্ধতি বাতিল করে ডিজিটাল পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে কেন্দ্র। সিবিটি পরীক্ষা হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে পরীক্ষা দেওয়ার একটি আধুনিক পদ্ধতি, যার পুরো নাম কম্পিউটার-বেসড টেস্ট। এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীকে কোনো খাতা-কলম ব্যবহার করতে হয় না কিংবা ওএমআর শিটের ঘর কালো করতে হয় না; বরং তাকে একটি নির্দিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে নিজের নির্ধারিত আসনে বসতে হয়। পরীক্ষার্থীর সামনে থাকা কম্পিউটার এবং মাউসের সাহায্যেই মূলত এই পরীক্ষাটি দিতে হয়।
অন্যদিকে, শুক্রবারই এক্স হ্যান্ডলে এনটিএ-এর তরফে জানানো হয়েছে, 'ভারত সরকারের অনুমোদনক্রমে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ তারিখে নিট-ইউজি ২০২৬-এর পুনঃপরীক্ষার সময়সূচী নির্ধারণ করেছে।' একই সঙ্গে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আপডেট পেতে একমাত্র অফিসিয়াল হ্যান্ডেলেই বিশ্বাস করতে বলা হয়েছে। neet-ug@nta.ac.in- এ ইমেইল করে বা 011-40759000 ও 011-69227700- হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও আপডেট জানা যাবে। গত ৩ মে দেশজুড়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য এই সর্বভারতীয় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই রাজস্থান-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, হোয়াটসঅ্যাপে পরীক্ষার অনেক আগেই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছিল। বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা এবং রাজস্থান পুলিশের তদন্তের জেরে অস্বস্তিতে পড়ে এনটিএ। শেষ পর্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় রাখতে পুরো পরীক্ষাটিই বাতিলের কথা ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় সিবিআই এবং রাজস্থান পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, শুক্রবারই এক্স হ্যান্ডলে এনটিএ-এর তরফে জানানো হয়েছে, 'ভারত সরকারের অনুমোদনক্রমে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ তারিখে নিট-ইউজি ২০২৬-এর পুনঃপরীক্ষার সময়সূচী নির্ধারণ করেছে।' একই সঙ্গে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আপডেট পেতে একমাত্র অফিসিয়াল হ্যান্ডেলেই বিশ্বাস করতে বলা হয়েছে। neet-ug@nta.ac.in- এ ইমেইল করে বা 011-40759000 ও 011-69227700- হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও আপডেট জানা যাবে। গত ৩ মে দেশজুড়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য এই সর্বভারতীয় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই রাজস্থান-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, হোয়াটসঅ্যাপে পরীক্ষার অনেক আগেই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছিল। বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা এবং রাজস্থান পুলিশের তদন্তের জেরে অস্বস্তিতে পড়ে এনটিএ। শেষ পর্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় রাখতে পুরো পরীক্ষাটিই বাতিলের কথা ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় সিবিআই এবং রাজস্থান পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে।
{{/usCountry}}