নেপালের বিপর্যয়ে একের পর এক করুণ দৃশ্যের সাক্ষী হচ্ছে গোটা বিশ্ব। স্বজনহারার কান্নার মাঝেই ফের পরিজনকে খুঁজে পাওয়ার আনন্দেরও নানান ঘটনা ঘটে চলেছে বিপর্যয় বিধ্বস্ত নেপালে। সদ্য এক ৯৭ বছর বয়স্কাকে নেপালের উদ্ধারকারীরা খুঁজে পেয়েছেন, যিনি বিপর্যয়ের সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাদার নিচে চাপা পড়ে ছিলেন। অন্যদিকে, জলের তোড়ে ৮ বছর বয়সী ছেলের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া মা ফের তাঁর সন্তানকে খুঁজে পেয়েছেন, এমন ঘটনাও উঠে আসছে নেপাল থেকে। এরই মাঝে নেপালের এক ব্যাঙ্কের লকার ভেসে যাওয়ার ঘটনাও সামনে এল।
প্রকৃতির মহাপ্রলয়ে লন্ডভন্ড নেপাল। বিপর্যয়ের সময় রসুয়া জেলার ভেটকোশী নদী দিয়ে ভেসে যায় একটি ব্যাঙ্কের লকার। পরে ধাদিং জেলার গালছি গ্রামীণ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বেলখুখোলার কাছে ত্রিশূলী নদীর তীরে সেই লকার উদ্ধার হয়েছে। এদিকে, অভিযোগ, সেই লকার উদ্ধার হতেই তা ভেঙে তা থেকে নগদ টাকা পয়সা নেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। অভিযোগ, লুঠ চলেছে সেখানে। সেই ঘটনায় ২৯ জনকে নেপালের পুলিশ পাকড়াও করেছে বলে জানা গিয়েছে। ধাদিং পুলিশ জানায়, স্থানীয় লোকজন লকারটি ভেঙে ভেতরের টাকাকড়ি বের করে নিয়েছে বলে তারা খবর পায়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। এছাড়াও সদ্য একটি ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, নদীতে ভেসে আসা মৃতদেহের চুল ধরে হিঁচড়ে টেনে নেপালে একদল যুবক মৃতদেহের কান থেকে টেনে নিচ্ছে দুল। এই অমানবিক দৃশ্য গোটা নেটপাড়ায় চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।
গুজরাট থেকে যাচ্ছে ফরেন্সিক টিম!
{{/usCountry}}গুজরাট থেকে যাচ্ছে ফরেন্সিক টিম!
{{/usCountry}}ভারত থেকে ইতিমধ্যেই একাধিক দফায় ত্রাণ পাঠানো হয়েছে নেপালে। এবার গুজরাটের ন্যাশনাল ফরেন্সিক সায়ান্স ইউনিভার্সিটির ১০ সদস্যের একটি টিম যাচঅছে নেপালে। সেখানে উদ্ধার হওয়া দেহ শণাক্তকরণে ভারতের ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা সাহায্য করতে চলেছেন। যাতে দেহের পরিচয় শণাক্ত করে তা পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়া যায়, সেই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতেই এই টিম নেপালের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে।