নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করার একদিন পরই কেপি শর্মা ওলিকে গ্রেফতারির নির্দেশ দিলেন বলেন্দ্র শাহ। ২০২৫ সালের জেন-জি বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভক্তপুরের গুন্ডুতে তাঁর বাসভবন থেকে ওলিকে হেফাজতে নেয় নেপাল পুলিশ। ওলির পাশাপাশি তাঁর সরকারের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকও গ্রেফতার হন।

ওলির গ্রেফতারির কয়েক মিনিট পরই নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং বলেন, 'প্রতিশ্রুতি মানে প্রতিশ্রুতি এবং কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আমরা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে হেফাজতে নিয়েছি। এটা কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়; এটা ন্যায়বিচারের সূচনা মাত্র। আমি বিশ্বাস করি, এখন দেশ একটি নতুন পথে এগিয়ে যাবে।' এদিকে বার্তাসংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাঠমান্ডু উপত্যকা পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী বলেন, 'আজ সকালে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী যাবতীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।'
তবে ওলি দাবি করেছেন, তাঁকে 'প্রতিহিংসামূলকভাবে' গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন, 'আমি আইনি প্রক্রিয়ায় লড়াই জারি রাখব।' উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৮ এবং ৯ সেপ্টেম্বর নেপাল জেন-জি হিংসায় মোট ৭০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল। এরপরই নেপালের সরকারি ভবন, সংসদ, কমিউনিস্ট পার্টির অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ওলির সরকারের পতন ঘটে গণঅভ্যুত্থানে। অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হন নেপালের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি। তাঁর অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বলেন্দ্র শাহের দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
অভ্যুত্থানের সময় যাবতীয় অশান্তি সত্ত্বেও নেপালের রাজনীতির অন্যতম 'স্থায়ী মুখ' হিসাবে রয়ে গিয়েছেন খড়্গ প্রসাদ শর্মা ওলি। ভারতের সীমান্তবর্তী পূর্ব নেপালের 'ঝাপা-৫' আসনি তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। এবারের নির্বাচনেও সেখান থেকেই লড়েছিলেন তিনি। তাঁর প্রতিরক্ষ ছিলেন বলেন শাহ নিজে। বলেনের কাছে এবার হেরে যান ওলি। এই ওলি চিন ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা হত। এমনকী বিভিন্ন ইস্যুতে সরাসরি ভারতের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। এদিকে বলেন শাহ যে নিজে ভারতপ্রেমী, তা নয়। এর আগে তাঁর সঙ্গে মার্কিনিদের ভালো সম্পর্কের দাবি করা হয়েছিল।
{{/usCountry}}অভ্যুত্থানের সময় যাবতীয় অশান্তি সত্ত্বেও নেপালের রাজনীতির অন্যতম 'স্থায়ী মুখ' হিসাবে রয়ে গিয়েছেন খড়্গ প্রসাদ শর্মা ওলি। ভারতের সীমান্তবর্তী পূর্ব নেপালের 'ঝাপা-৫' আসনি তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। এবারের নির্বাচনেও সেখান থেকেই লড়েছিলেন তিনি। তাঁর প্রতিরক্ষ ছিলেন বলেন শাহ নিজে। বলেনের কাছে এবার হেরে যান ওলি। এই ওলি চিন ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা হত। এমনকী বিভিন্ন ইস্যুতে সরাসরি ভারতের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। এদিকে বলেন শাহ যে নিজে ভারতপ্রেমী, তা নয়। এর আগে তাঁর সঙ্গে মার্কিনিদের ভালো সম্পর্কের দাবি করা হয়েছিল।
{{/usCountry}}