...
...
Next Story

Lipulekh row: 'তারা পারে না...,' লিপুলেখ বিতর্কের মাঝেই ভারত সফরে বিশেষ বার্তা নেপালের বিদেশমন্ত্রীর

Lipulekh row: নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের মন্তব্যের মাঝেই তিন দিনের ভারত সফরে এসেছেন শিশির খানাল। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি, সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই তাঁর এই সফর।

Published on: Jun 7, 2026, 19:45:56 IST
Advertisement

Lipulekh row: বিতর্কিত লিপুলেখ গিরিপথ নিয়ে সম্প্রতি বিবাদে জড়িয়েছে ভারত ও নেপাল। এই আবহে শুক্রবার নয়া দিল্লিতে পা রেখেছেন নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল। শনিবার তিনি বৈঠক করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। এরপরেই রবিবার তিনি স্পষ্ট করেছেন, নেপাল ভারতের সঙ্গে তাদের সীমান্ত বিরোধ খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায়।

ভারত সফরে বিশেষ বার্তা নেপালের বিদেশমন্ত্রীর (ANI Video Grab)
ভারত সফরে বিশেষ বার্তা নেপালের বিদেশমন্ত্রীর (ANI Video Grab)

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের মন্তব্যের মাঝেই তিন দিনের ভারত সফরে এসেছেন শিশির খানাল। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি, সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই তাঁর এই সফর। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির খানাল বলেন, নেপাল ভারতের সঙ্গে কূটনীতির মাধ্যমেই সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে চায়। তাঁর কথায়, 'আমরা নেপাল-ভারত সম্পর্কের গোটা পরিভাষাকে ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত থেকে সরিয়ে উন্নয়ন ও কূটনীতির ওপর দৃঢ়ভাবে স্থাপন করতে চাই। আমরা উন্মুক্ত মন, স্বচ্ছ দৃষ্টি এবং স্বচ্ছ লক্ষ্য নিয়ে ভারতের দিকে তাকাই। শিশির আরও বলেন, 'যখন আমরা সীমান্তের ওপারে তাকাই, তখন ভারতকে অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসাবে দেখতে পাই। এমন এক উদীয়মান ভারত, যে নিজেকে গতিশীল, দ্রুত বর্ধনশীল প্রযুক্তি অর্থনৈতিক শক্তি হিসাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। নতুন এই ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই।'

তিনি স্পষ্ট করেছেন, নেপালের নতুন নেতৃত্ব ভারতকে পুরনো ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে না। নেপালের বিদেশ মন্ত্রী বলেছেন, কাঠমান্ডু কালাপানি-লিপুলেখ-লিম্পিয়াধুরা ত্রি-সংযোগস্থলে নেপালের দাবি প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করছে এবং তৃতীয় পক্ষের কাছে ‘মধ্যস্থতা চাইছে না।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের নতুন সরকার নেপাল-ভারত সম্পর্ককে ‘পুরনো বোঝা’ দিয়ে বেঁধে রাখার পক্ষে নয়। নেপাল বর্তমানে সম্পূর্ণ নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতাকে নিয়ে সামনে এগোতে চায়।’ নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ সংসদে যে মন্তব্য করেছিলেন তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শিশির বলেন, ‘আমরা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে চাই। আমরা শুধু দেখতে চাই যে ব্রিটেনের গ্রন্থাগার বা জাদুঘরে থাকা কিছু নথিপত্র আমরা পেতে পারি কিনা। আমাদের অবস্থান এমন ছিল না যে আমরা মধ্যস্থতা চাইছিলাম।’ তিনি স্পষ্ট জানান, 'কালাপানি ও লিপুলেখ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করা নিয়ে আমাদের তীব্র উদ্বেগ রয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি যে এই ভূখণ্ড নেপালের সার্বভৌম অংশ। তাই নেপালের সম্মতি ছাড়া দুই দেশ এককভাবে বা দ্বিপাক্ষিক স্তরে এই ধরনের কোনও চুক্তি করতে পারে না।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks