...
...
Next Story

New paper leak bill: প্রশ্নপত্র ফাঁস তদন্তের জন্য দু'মাসের ডেডলাইন! সোমবারই সংসদে নতুন বিল পেশ?

New paper leak bill: এর আগে ২০২৪–এ প্রশ্ন ফাঁস রোখার লক্ষ্যে এমন একটি বিল পাশ হয়েছিল সংসদে৷ এই বিলের ১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে তিন থেকে পাঁচ বছরের জেল এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান আছে।

Published on: Jul 26, 2026, 13:46:01 IST
Advertisement

New paper leak bill: নিটের মতো পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস অথবা অন্য অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে আরও কড়া আইন আনছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার মাঝরাতে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তার পর, শুক্রবারই এই সংক্রান্ত নয়া বিলে অনুমোদন দিয়েছে নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রিসভা। নতুন বিলে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করার অপরাধে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের সংস্থান রাখা হয়েছে। এরই সঙ্গে হতে পারে এক কোটি টাকা জরিমানা। আর এই অপরাধগুলির সর্বদাই বিচার হবে ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে। সেই আদালত গঠনের কথাও থাকবে বিলে। নতুন এই আইনে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের সংস্থান রাখা হচ্ছে।

সোমবারই সংসদে নতুন বিল পেশ? (REUTERS)
সোমবারই সংসদে নতুন বিল পেশ? (REUTERS)

আগামিকাল, সোমবার সংসদে ‘দ্য পাবলিক এগজামিনেশনস (প্রিভিনেশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পেশ করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, নরেন্দ্র মোদী সরকার প্রণীত এই বিলে থাকতে পারে— প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার অভিযোগ দায়েরের দু’মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে পুলিশ, সিবিআই বা এসটিএফকে৷ পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে নিম্ন আদালতে কেসের ট্রায়ালও। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে এই ধরনের মামলার দ্রুত ও টাইম–বাউন্ড নিষ্পত্তির জন্য দেশের মেট্রো শহরগুলিতে গড়া হতে পারে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট৷

এর আগে ২০২৪–এ প্রশ্ন ফাঁস রোখার লক্ষ্যে এমন একটি বিল পাশ হয়েছিল সংসদে৷ এই বিলের ১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে তিন থেকে পাঁচ বছরের জেল এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান আছে। বিলের সেকশন ১১ অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রান্তের প্রমাণ মিললে পাঁচ থেকে দশ বছরের জেল এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান আছে। এবার পুরোনো বিলে সংশোধনী নিয়ে এসে কেন্দ্রীয় সরকার প্রশ্নফাঁসে যুক্ত দোষীদের আরও কড়া এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধি আনতে চাইছে৷ আইনি দীর্ঘসূত্রতা কাটাতে ধারা সংশোধিত আইনে ১২এ এবং ১২বি ধারা যুক্ত করা হচ্ছে। অত্যন্ত ব্যতিক্রমী ও লিখিত কারণ ছাড়া আদালত একদিনের বেশি এই ধরনের মামলার শুনানি মুলতুবি রাখতে পারবে না বলে বিধিতে উল্লেখ থাকতে পারে। ট্রায়াল কোর্টের যে কোনও রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে (সর্বোচ্চ ৯০ দিন) আপিল করতে হবে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে। হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চকে তিন মাসের মধ্যে সেই আপিলের নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযুক্তের সাজা নিশ্চিত করতে নিয়োগ করা যাবে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটরকে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe