...
...
Next Story

India-Norway Row: 'অজ্ঞ এনজিও-র রিপোর্ট...,' নরওয়ের মঞ্চে মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন, ফের কড়া জবাব নয়াদিল্লির

India-Norway Row: সোমবার রাতে নরওয়েতে আয়োজিত বিদেশ মন্ত্রকের সাংবাদিক বৈঠকে এই বিতর্কের সূত্রপাত। নরওয়ের এক হোটেলে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সাংবাদিক বৈঠক চলছিল। সেখানেই নরওয়েজিয়ান সাংবাদিক হিলি লিং ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং মানবাধিকার নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তোলেন।

Published on: May 19, 2026 05:24 PM IST
Advertisement

India-Norway Row: নেদারল্যান্ডসের পর এবার নরওয়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নরওয়ে সফর ঘিরে ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে উঠল সংখ্যালঘু অধিকার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্ন। তবে এবারও কূটনৈতিক ভাষায় স্পষ্ট জবাব দিল ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে না বুঝেই কিছু পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যার ভিত্তি কয়েকটি ‘অজ্ঞ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার’ রিপোর্ট।

বিদেশ মন্ত্রকের সচিব সিবি জর্জ
বিদেশ মন্ত্রকের সচিব সিবি জর্জ

সোমবার রাতে নরওয়েতে আয়োজিত বিদেশ মন্ত্রকের সাংবাদিক বৈঠকে এই বিতর্কের সূত্রপাত। নরওয়ের এক হোটেলে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সাংবাদিক বৈঠক চলছিল। সেখানেই নরওয়েজিয়ান সাংবাদিক হিলি লিং ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং মানবাধিকার নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তোলেন। এক পর্যায়ে তিনি রীতিমতো আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রশ্ন করেন, গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ও অধিকারের প্রশ্নে 'ভারতকে কেন বিশ্বাস করা উচিত'? উত্তেজনা এতটাই বাড়ে যে, মাঝপথেই ব্রিফিং রুম থেকে ওয়াকআউট করেন ওই সাংবাদিক। যদিও পরে আবার তিনি ফিরে আসেন। এই প্রশ্নের জবাবে বিদেশ মন্ত্রকের সচিব সিবি জর্জ ভারতের সাংবিধানিক কাঠামোর কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে সমান মৌলিক অধিকার দিয়েছে এবং অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনি প্রতিকার পাওয়ার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে।

সিবি জর্জ বলেন, 'আমরা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-ষষ্ঠাংশ, কিন্তু বিশ্বের মোট সমস্যার এক-ষষ্ঠাংশ নই। আমাদের শক্তিশালী সংবিধান রয়েছে যা জনগণের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়।' বিশেষভাবে নারী অধিকারের প্রসঙ্গ টেনে তাঁর সাফ কথা, 'আমাদের দেশে নারীদের সমান অধিকার রয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ... আমরা সমতায় বিশ্বাস করি; আমরা মানবাধিকারে বিশ্বাস করি...যদি কারও অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়, তবে তাঁদের আদালতে যাওয়ার অধিকার রয়েছে...আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে গর্বিত।' একই সঙ্গে ভারতের সমালোচনার উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, অনেকেই কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিবেদনকে চূড়ান্ত সত্য ধরে নিয়ে ভারতের বাস্তব পরিস্থিতি বিচার করেন, যা সঠিক নয়।

এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে ভারত সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেদারল্যান্ডস সফরের সময় এই প্রসঙ্গ ওঠে, আর সেখানেই নয়া দিল্লির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, ভারত এক 'প্রাণবন্ত গণতন্ত্র', যেখানে সকলের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেদারল্যান্ডস সফরের সময় বিদেশ মন্ত্রকের সচিব (পশ্চিম) সিবি জর্জ সাংবাদিকদের বলেন, ‘যিনি পর্যসন করেছেন, হয়তো ভারতের সম্পর্কে বোঝাপড়ার অভাব থেকেই এ ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে তাঁর।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe