মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলটকে কুড়ুলের কোপে রক্তাক্ত করার অভিযোগ রয়েছে ওমানের পাইলটের বিরুদ্ধে। আমিরশাহি থেকে ইজরায়েলগামী ফ্লাই দুবাইয়ের সেই রুদ্ধশ্বাস ঘটনার পর আহত ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে ভারতের বন্ধু দেশ ইজরায়েল। তদন্ত চলছে অপর বন্ধু দেশ আমিরশাহিতেও। সেদিন বিমান জরুরিকালে সৌদিতে অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছিল, তাই সৌদি আরবও ঘটনার তদন্তে নেমেছে। এবার ফ্লাই দুবাই কাণ্ডে ভারতও শুরু করছে তদন্ত। এদিন কেন্দ্রের তরফে নির্দেশের পরই ফ্লাই দুবাই কাণ্ডের তদন্তে নামল এনআইএ।

ফ্লাইদুবাই কাণ্ড ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রথমত, যে পাইলট হামলা চালিয়েছেন, তিনি কেন তা করেছেন? এর নেপথ্যে কী কেউ রয়েছে? এসবের মাঝেই এনআইএ তাদের তদন্তের বিষয়ে বক্তব্য রেখেছে। এনআইএর তরফে বলা হয়েছে, ‘যেহেতু, কেন্দ্রীয় সরকারের অভিমত এই যে, জাতীয় তদন্ত সংস্থা আইন (এনআইএ অ্যাক্ট), ২০০৮-এর অধীনে একটি তফসিলি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং মামলাটি ৩০.০৯.২০২৬ তারিখে ফ্লাইদুবাই ফ্লাইট নং ১০৭৩ বিমানটিকে ছিনতাই বা বিধ্বস্ত করার আপাত প্রচেষ্টাসহ ভারতীয় জাতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছরের উপর আক্রমণের সাথে সম্পর্কিত, এবং অপরাধের গুরুত্ব, এর মারাত্মক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রভাব এবং বৃহত্তর ষড়যন্ত্র উদঘাটনের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে, জাতীয় তদন্ত সংস্থা আইন, ২০০৮-এর বিধান অনুসারে জাতীয় তদন্ত সংস্থা কর্তৃক বিষয়টির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত প্রয়োজন।’ উল্লেখ্য, সেদিন ফ্লাইদুবাইয়ের বিমান রওনা হয়েছিল আরব আমিরশাহির মাটি থেকে। তার গন্তব্য ছিল ইজরায়েল। প্রসঙ্গত, ইজরায়েল ও আরব আমিরশাহি, এই দুই দেশই ভারতের বন্ধু দেশ হিসাবে পরিচিত। এদিকে, বিমানে ছিলেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর। এই তিনটি দিকের প্রেক্ষিতে কি কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে ককপিটে ওই হামলার আড়ালে? প্রশ্ন উঠছে মিডিয়ার প্রতিবেদনে।
উল্লেখ্য, ইজরায়েলের তদন্তকারী গোয়েন্দা এজেন্সিগুলি দাবি করেছে যে, ফ্লাই দুবাইতে সেদিন স্মিতের সহ-পাইলট আল-হাম্মামি, গাজার প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন বলে স্বীকার করেছেন জেরায়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ষড়যন্ত্রে ইরানের হাত থাকার অভিযোগ করেছেন। তবে, নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, ভারতীয় সংস্থাগুলি এই তদন্তে নেমে খতিয়ে দেখছে, ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমির শাহির সঙ্গে ভারতের চমৎকার সম্পর্ককে নষ্ট করাই আল-হাম্মামির উদ্দেশের অংশ ছিল কি না। এক তদন্তকারীকে উল্লেখ করে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘এই পর্যায়ে কোনও কিছুই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।’ প্রসঙ্গত, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাইয়ের তেল আভিভগামী বিমানে মাঝ আকাশে পাইলট স্মিত মচ্ছরকে হামলা করেন সহ পাইলট হাম্মামি। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ১৪ হাজার ফুট নেমে আসে বিমান। শতাধিক যাত্রীর প্রাণ সংশয় তৈরি হয়। এরপর পাইলট স্মিতের অভাবনীয় সাহসিকতা আর যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের প্রাণপণ প্রচেষ্টায় বিপদ থেকে উদ্ধার পায় বিমান।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ইজরায়েলের তদন্তকারী গোয়েন্দা এজেন্সিগুলি দাবি করেছে যে, ফ্লাই দুবাইতে সেদিন স্মিতের সহ-পাইলট আল-হাম্মামি, গাজার প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন বলে স্বীকার করেছেন জেরায়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ষড়যন্ত্রে ইরানের হাত থাকার অভিযোগ করেছেন। তবে, নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, ভারতীয় সংস্থাগুলি এই তদন্তে নেমে খতিয়ে দেখছে, ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমির শাহির সঙ্গে ভারতের চমৎকার সম্পর্ককে নষ্ট করাই আল-হাম্মামির উদ্দেশের অংশ ছিল কি না। এক তদন্তকারীকে উল্লেখ করে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘এই পর্যায়ে কোনও কিছুই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।’ প্রসঙ্গত, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাইয়ের তেল আভিভগামী বিমানে মাঝ আকাশে পাইলট স্মিত মচ্ছরকে হামলা করেন সহ পাইলট হাম্মামি। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ১৪ হাজার ফুট নেমে আসে বিমান। শতাধিক যাত্রীর প্রাণ সংশয় তৈরি হয়। এরপর পাইলট স্মিতের অভাবনীয় সাহসিকতা আর যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের প্রাণপণ প্রচেষ্টায় বিপদ থেকে উদ্ধার পায় বিমান।
{{/usCountry}}