...
...
Next Story

Nashik TCS Case: যৌন হেনস্থা-ধর্মান্তকরণ! রোমহর্ষক অভিযান, গ্রেফতার TCS নাসিক-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত

Nashik TCS Case: গত মাসে নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের সঙ্গে যুক্ত বিপিও ইউনিটকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসে। সেখানে নাকি কিছু কর্মীকে যৌন হেনস্থা, মানসিক নির্যাতন এবং ধর্মান্তরের চেষ্টা করা হয়। তবে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে অভিযুক্ত হিসেবে নিদা খানের নাম উঠে আসে।

Published on: May 08, 2026 07:30 PM IST
Advertisement

Nashik TCS Case: টিসিএস নাসিকে যৌন হেনস্থা ও ধর্মান্তরের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত নিদা খান দীর্ঘ ৪২ দিন পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার পর অবশেষে গ্রেফতার। সূত্রের খবর, মুম্বইয়ের ছত্রপতি সম্ভাজি নগর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত নিদা খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, যৌন শোষণ এবং ধর্মান্তরের মামলায় ৪০ দিন আগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ ওঠার পর থেকে পলাতক ছিলেন ওই সংস্থার টেলিকলার নিদা খান। তবে আগেই তাঁকে সাসপেন্ড করেছিলেন কর্তৃপক্ষ।

গ্রেফতার TCS নাসিক-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত (ANI Video Grab)
গ্রেফতার TCS নাসিক-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত (ANI Video Grab)

গত মাসে নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের সঙ্গে যুক্ত বিপিও ইউনিটকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসে। সেখানে নাকি কিছু কর্মীকে যৌন হেনস্থা, মানসিক নির্যাতন এবং ধর্মান্তরের চেষ্টা করা হয়। তবে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে অভিযুক্ত হিসেবে নিদা খানের নাম উঠে আসে। পুলিশ অনেক দিন ধরেই তাকে ধরার চেষ্টা করছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত নিদা খান গত চার দিন ধরে নারেগাঁওয়ের কায়সার কলোনিতে একটি ফ্ল্যাটে থাকছিল। পুলিশ গত দুই দিন ধরে ওই ফ্ল্যাটে নজর রাখছিল। সে সেখানে তার বাবা-মা, ভাই এবং মাসি-র সঙ্গে থাকছিল। পুলিশ গত দু’দিন ধরে ওই ফ্ল্যাটে নজর রাখছিল। নিদা খান যেখানে থাকছিল সেই চত্বরের ভেতরে এবং আশেপাশের এলাকায় ২০ জনেরও বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তারা উর্দির বদলে সাধারণ পোশাকে পরেছিলেন এবং পুলিশের জিপ ব্যবহার করেননি, যাতে স্থানীয়রা কোনও অভিযানের টের না পায়। এরপর বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।

নিদা খান টিসিএস-এর সাসপেন্ড হওয়া কর্মী। সে কোম্পানির নাসিক ইউনিটে কাজ করত। তার বিরুদ্ধে মহিলাদের সঙ্গে যৌন শোষণ, মানসিক নির্যাতন এবং ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ আছে। এর আগে পুলিশ এই একই মামলায় ছয়জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল। পুলিশের মতে, নিদা খান অনেক দিন ধরে পলাতক ছিল এবং নাসিক পুলিশের টিম তাকে খুঁজছিল। ধর্মান্তর ও যৌন হেনস্থার ঘটনায় গত ২৬ মার্চ নিদার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তারপর থেকে পলাতক ছিল নিদা। সে অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করে আগাম জামিনের আবেদনও করেছিল তাঁর আইনজীবী। গত বছরের জানুয়ারিতে বিয়ে করে নিদা। বিয়ের আগেই নাসিকে টিসিএস-এর বিপিও-তে বদলির আবেদন করেছিল।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe