চলতি মাসে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর এবার বিহারের বিধান পরিষদের সদস্য (এমএলসি) পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সংবিধান অনুযায়ী, কোনও রাজ্যের বিধান পরিষদের সদস্য সংসদে নির্বাচিত হলে ১৪ দিনের মধ্যে যে কোনও একটি পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়। ১৬ মার্চ রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন নীতীশ কুমার। সেই অনুযায়ী আজ, অর্থাৎ সোমবার ছিল পদত্যাগের শেষ দিন।

নীতীশ কুমারের পাশাপাশি বিহার বিধানসভার সদস্য এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনও পদত্যাগ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সঞ্জয় সারোগীর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেওয়া হতে পারে। এর আগে দলের তরফে জানানো হয়, দু’জনই হয় তো সোমবার, শেষ দিনেই পদত্যাগ করবেন। বহু বছর হল নীতীশ কুমার বিহার বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। বিধান পরিষদ থেকে নির্বাচিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিধান পরিষদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর তিনি রাজ্যসভার সদস্য পদে শপথ গ্রহণ করবেন। কিন্তু এরপরও তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন বলে খবর। এখানেও সুযোগ আছে অন্তত ছমাস নীতীশ রাজ্যের বিধানসভা কিংবা বিধান পরিষদের সদস্য না হয়েও মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন। অর্থাৎ তিনি হতে পারেন সেই মুখ্যমন্ত্রী যিনি রাজ্যসভার সদস্য হয়েও কোন একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে যাবেন। কিন্তু, এখন প্রশ্ন হল কতদিন নীতীশ এই ভূমিকা পালন করবেন? ছয় মাসের মাথায় তাঁকে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তেই হবে।
এই আবহে দলের সংসদ দম্পতি আনন্দমোহন ও তাঁর স্ত্রী লাভলী আনন্দ রবিবার পাটনায় সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছেন, নীতীশ কুমারের মাঝপথে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তে জেডিইউ'র কর্মী সমর্থকেরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। ধস নামতে পারে দলের অতি পশ্চাৎপদ ভোট ব্যাঙ্কে। এদিকে, নীতীশ রাজ্যসভায় চলে গেলে তাঁর পুত্র নিশান্ত কুমারকে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী করার পরিকল্পনা আছে। তিনি বাবার জায়গায় বিধান পরিষদের সদস্য হবেন। বিহারের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নীতীশ কুমার প্রায় দুই দশক ধরে ইতিমধ্যেই ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তবে সম্প্রতি তিনি রাজ্যসভার সাংসদ রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার কারণে একসঙ্গে দুটি পদে থাকা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। মনে করা হচ্ছে যে, সেই কারণেই পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তটি নিয়ে দলের ভেতর থেকেই আপত্তির কথা উঠে এসেছে। জেডি(ইউ)-র নেতা অনন্ত কুমার সিং জানিয়েছেন, অনেকেই এই পদক্ষেপটির বিরোধিতা করেছিলেন, কিন্তু আগেই নীতীশ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন।
{{/usCountry}}এই আবহে দলের সংসদ দম্পতি আনন্দমোহন ও তাঁর স্ত্রী লাভলী আনন্দ রবিবার পাটনায় সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছেন, নীতীশ কুমারের মাঝপথে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তে জেডিইউ'র কর্মী সমর্থকেরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। ধস নামতে পারে দলের অতি পশ্চাৎপদ ভোট ব্যাঙ্কে। এদিকে, নীতীশ রাজ্যসভায় চলে গেলে তাঁর পুত্র নিশান্ত কুমারকে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী করার পরিকল্পনা আছে। তিনি বাবার জায়গায় বিধান পরিষদের সদস্য হবেন। বিহারের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নীতীশ কুমার প্রায় দুই দশক ধরে ইতিমধ্যেই ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তবে সম্প্রতি তিনি রাজ্যসভার সাংসদ রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার কারণে একসঙ্গে দুটি পদে থাকা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। মনে করা হচ্ছে যে, সেই কারণেই পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তটি নিয়ে দলের ভেতর থেকেই আপত্তির কথা উঠে এসেছে। জেডি(ইউ)-র নেতা অনন্ত কুমার সিং জানিয়েছেন, অনেকেই এই পদক্ষেপটির বিরোধিতা করেছিলেন, কিন্তু আগেই নীতীশ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন।
{{/usCountry}}এদিকে আবার, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব এই বিষয়টিকে নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর দাবি যে, নীতীশ কুমার নিজের ইচ্ছায় নয়, বরং বিজেপির চাপেই রাজ্যসভায় গিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, এর মাধ্যমে জেডি(ইউ)-কে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৫ মার্চই মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন নীতীশ কুমার। তারপরেই অমিত শাহের সঙ্গে মনোনয়ন জমা দিয়ে তিনি চলতি মাসে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন।