PM Narendra Modi: গত ৭ অক্টোবর দেশসেবায় ২৫ বছর পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ উপহার দিতে চলেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের জেওয়ারের নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে ‘নরেন্দ্র মোদী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দুই উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য ও ব্রজেশ পাঠক ও শরিক দলের নেতৃত্বরা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, উত্তরপ্রদেশের জেওয়ারে নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। তাঁর সম্মানে বিমানবন্দরটির নাম ‘নরেন্দ্র মোদী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নয়ডা-জেওয়ার’ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যোগী আদিত্যনাথের মতে, বিমানবন্দরটি উত্তরপ্রদেশের বৃহত্তম বিমানবন্দর হওয়ার পাশাপাশি ভারতের অন্যতম প্রধান বিমান চলাচল কেন্দ্রে পরিণত হবে। উত্তরপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর কৃতিত্বের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, 'মোদীজি উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকেই দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর দেশসেবার ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এই উপলক্ষে তাঁর নামে নয়ডার বিমানবন্দরের নামকরণ করা হবে।'
এর আগে ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হয় ‘নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম।' এবার তাঁর নামে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হলো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চলতি বছরের ২৮ মার্চ বিমানবন্দরটির উদ্বোধন করেছিলেন। পরে ১৫ জুন লখনউ থেকে ইন্ডিগোর একটি বিমান সেখানে অবতরণ করে। সেটিই ছিল বিমানবন্দরে প্রথম বিমান অবতরণের ঘটনা। বিমানবন্দরটির কার্যক্রম এবং পরিকাঠামো ধাপে ধাপে বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিমানবন্দরটি নির্মাণে প্রথম পর্যায়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ২৮২ কোটি টাকা। এই পর্যায়ে বছরে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ যাত্রীকে পরিষেবা দেওয়ার মতো পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেই সক্ষমতা বছরে ৭ কোটি যাত্রী পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব বলে পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি আশপাশের অঞ্চলের বিমানযাত্রা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে।
জেওয়ার বিমানবন্দরে রয়েছে ৩,৯০০ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে, যেখানে বড় আকারের যাত্রীবাহী বিমান ওঠানামা করতে পারবে। আধুনিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও নেভিগেশন ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। রানওয়ের দুই প্রান্তেই রয়েছে ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম বা আইএলএস। এর ফলে বাতাসের দিক ও পরিস্থিতি অনুযায়ী উভয় দিক থেকে বিমান অবতরণের সুবিধা পাওয়া যাবে। শুধু বিমান পরিষেবা নয়, সড়কপথ-সহ বিভিন্ন পরিবহণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ গড়ে তুলে জেওয়ারকে বহুমুখী পরিবহণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। উন্নত যাত্রী পরিষেবা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লিমিটেড এবং সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক এজির সহযোগী সংস্থা ইয়ামুনা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড।
{{/usCountry}}জেওয়ার বিমানবন্দরে রয়েছে ৩,৯০০ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে, যেখানে বড় আকারের যাত্রীবাহী বিমান ওঠানামা করতে পারবে। আধুনিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও নেভিগেশন ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। রানওয়ের দুই প্রান্তেই রয়েছে ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম বা আইএলএস। এর ফলে বাতাসের দিক ও পরিস্থিতি অনুযায়ী উভয় দিক থেকে বিমান অবতরণের সুবিধা পাওয়া যাবে। শুধু বিমান পরিষেবা নয়, সড়কপথ-সহ বিভিন্ন পরিবহণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ গড়ে তুলে জেওয়ারকে বহুমুখী পরিবহণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। উন্নত যাত্রী পরিষেবা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লিমিটেড এবং সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক এজির সহযোগী সংস্থা ইয়ামুনা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড।
{{/usCountry}}