...
...
Next Story

SC on Firecracker: বাজিতে পুরো নিষেধাজ্ঞা নয়, উৎসবের দিনেই পোড়ানো যাবে? ১৫ অক্টোবর সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

বাজির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পথে যেতে চাইছে না শীর্ষ আদালত। আবার উৎসবের নামে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ইচ্ছেমতো বাজি পোড়ানোর অনুমতিও দেওয়া হবে না। পরিবেশ রক্ষা এবং মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগ, দুটো দিক মাথায় রেখেই একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

Published on: Oct 1, 2026, 10:01:15 IST
Advertisement

SC on Firecracker: উৎসবের মরশুমে বাজি পোড়ানো নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে আপাতত মাঝামাঝি পথ খুঁজছে সুপ্রিম কোর্ট। বাজির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পথে যেতে চাইছে না শীর্ষ আদালত। আবার উৎসবের নামে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ইচ্ছেমতো বাজি পোড়ানোর অনুমতিও দেওয়া হবে না। পরিবেশ রক্ষা এবং মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগ, দুটো দিক মাথায় রেখেই একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

উৎসবের মরশুমে বাজি পোড়ানো নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে আপাতত মাঝামাঝি পথ খুঁজছে সুপ্রিম কোর্ট
উৎসবের মরশুমে বাজি পোড়ানো নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে আপাতত মাঝামাঝি পথ খুঁজছে সুপ্রিম কোর্ট

বুধবার বাজি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছে বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, পরিবেশ দূষণ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু একই সঙ্গে উৎসবের সঙ্গে যুক্ত সামাজিক এবং ধর্মীয় অনুভূতিকেও পুরোপুরি উপেক্ষা করা যায় না। ফলে এমন কোনও ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে দুদিকের মধ্যে ভারসাম্য রাখা সম্ভব হয়।

শুনানির সময় আদালত জানায়, বাজির উপরে সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে তার প্রভাব সাধারণ মানুষের ভাবাবেগে পড়তে পারে। বিশেষ করে দীপাবলি, দুর্গাপুজো কিংবা অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে বাজি পোড়ানোর যে দীর্ঘদিনের রীতি রয়েছে, সেটিকে একেবারে বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে আদালত সতর্ক। তবে তার অর্থ এই নয় যে দিনের যে কোনও সময়ে যত খুশি বাজি পোড়ানো যাবে।

শীর্ষ আদালতের মতে, নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে বাজি পোড়ানোর অনুমতি থাকলে পরিবেশের উপরে চাপ আরও বাড়বে। শুধু বাতাসের মানের অবনতিই নয়, অতিরিক্ত শব্দও বহু মানুষের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। প্রবীণ নাগরিক, শিশু এবং বিভিন্ন অসুস্থতায় ভোগা মানুষের উপরে এর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই উৎসবের আনন্দ বজায় রেখেও দূষণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময়ের সীমা নির্ধারণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে আদালত।

এ দিকে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও আদালতের সামনে একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট মানদণ্ড মেনে তৈরি হওয়া ‘নেক্সট জেনারেশন জয়েন্ট গ্রিন ক্র্যাকার্স’ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। এই ধরনের বাজি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও শব্দের মাত্রা, ক্ষতিকারক গ্যাসের নির্গমন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সরকারি নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক হবে।

কেন্দ্রের এই প্রস্তাবও খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে উৎসব পালনের সুযোগ কতটা রাখা যায়, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন। এক দিকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ, অন্য দিকে উৎসবের প্রচলিত রীতি, দুইয়ের মধ্যে সমন্বয়ের পথ খুঁজছে আদালত।

এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৫ অক্টোবর। সেদিন বাজি পোড়ানো নিয়ে আদালতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হতে পারে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়সীমা, গ্রিন ক্র্যাকার ব্যবহারের নিয়ম এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ নিয়ে চূড়ান্ত নির্দেশ আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অর্থাৎ এ বারের উৎসবের মরশুমে বাজি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেই। তবে উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পরিবেশ এবং মানুষের স্বাস্থ্যের বিষয়টিও যাতে গুরুত্ব পায়, সেই লক্ষ্যেই নিয়ম বেঁধে দেওয়ার দিকে এগোচ্ছে শীর্ষ আদালত।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks