দেশের শেয়ারবাজারে দীর্ঘ অপেক্ষার পর শুরু হয়েছে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ বা এনএসই-র আইপিও-র আবেদন। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে সাবস্ক্রিপশনের জন্য খোলা এই আইপিওর দ্বিতীয় দিন আজ। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শেয়ারবাজার সংস্থার এই আইপিও নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও গ্রে মার্কেটে এর প্রিমিয়াম ক্রমশ কমছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এনএসই আইপিওর গ্রে মার্কেট প্রিমিয়াম বা জিএমপি ১৪২ টাকা। এই জিএমপি আইপিওর ঊর্ধ্বসীমার দামের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ প্রিমিয়ামের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জিএমপির এই পতন অবশ্যই নজর কেড়েছে। কারণ কয়েক দিন আগেও এনএসই আইপিওর গ্রে মার্কেটে প্রিমিয়াম অনেক বেশি ছিল। ১৪ সেপ্টেম্বর এই প্রিমিয়াম ২০০ টাকারও বেশি ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি প্রাইস ব্যান্ড ঘোষণা হওয়ার আগে একসময় জিএমপি প্রায় ৩০০ টাকার কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিল। সেখান থেকে কমে ১৪২ টাকা হওয়ায় গ্রে মার্কেটে প্রত্যাশার তাপ কিছুটা কমেছে।
আইপিওর প্রথম দিনে অবশ্য খুব বেশি সাবস্ক্রিপশন দেখা যায়নি। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিন শেষে পুরো আইপিও ০.৪৩ গুণ বা ৪৩ শতাংশ সাবস্ক্রাইব হয়েছিল। খুচরো বিনিয়োগকারীদের অংশে সাবস্ক্রিপশন ছিল ০.৪৪ গুণ। প্রাতিষ্ঠানিক বা কিউআইবি বিনিয়োগকারীদের অংশে সাবস্ক্রিপশন ছিল ০.১৯ গুণ এবং অ-প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশে ছিল ০.৭২ গুণ। ফলে প্রথম দিনের শেষে সামগ্রিক চিত্র ছিল মিশ্র।
এনএসই-র আইপিওর প্রাইস ব্যান্ড নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি শেয়ারে ১,৭০০ টাকা থেকে ১,৭৮৫ টাকা। এক লটে রয়েছে ৮টি শেয়ার। অর্থাৎ, ঊর্ধ্বসীমার দামে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম ১৪,২৮০ টাকা দিয়ে আবেদন করতে হবে। এনএসই-র কর্মীদের জন্য প্রতি শেয়ারে ১৭০ টাকা ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। আইপিওটি ১৭ সেপ্টেম্বর খুলেছে এবং ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
এই আইপিওর মোট আকার প্রায় ২২,৫৬১.৫৭ কোটি টাকা। সম্পূর্ণ আইপিওটি অফার ফর সেল বা ওএফএস ভিত্তিক। অর্থাৎ, নতুন শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানির হাতে নতুন মূলধন আসছে না। পরিবর্তে বর্তমান বিনিয়োগকারীরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করছেন এবং সেই বিক্রির অর্থ তাঁদের কাছেই যাবে। মোট ১২.৬৪ কোটি শেয়ার এই আইপিওর মাধ্যমে অফার করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}এই আইপিওর মোট আকার প্রায় ২২,৫৬১.৫৭ কোটি টাকা। সম্পূর্ণ আইপিওটি অফার ফর সেল বা ওএফএস ভিত্তিক। অর্থাৎ, নতুন শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানির হাতে নতুন মূলধন আসছে না। পরিবর্তে বর্তমান বিনিয়োগকারীরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করছেন এবং সেই বিক্রির অর্থ তাঁদের কাছেই যাবে। মোট ১২.৬৪ কোটি শেয়ার এই আইপিওর মাধ্যমে অফার করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}এনএসই আইপিওর জন্য কোটাক মাহিন্দ্রা ক্যাপিটাল কর্পোরেশনকে প্রধান ব্যবস্থাপক এবং এমইউএফজি ইনটাইম ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। আইপিওর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৬,৭৪৬.১৮ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল। প্রস্তাব অনুযায়ী, এনএসই-র শেয়ার ২৪ সেপ্টেম্বর বাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারে।