Odisha News: আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে ওড়িশার কন্ধমলের বালিগুড়ার সরকারি ইঞ্জিনিয়ার বৈকুণ্ঠনাথ বেহরার একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ প্রায় ২ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ভিজিল্যান্স দফতর। ওড়িশা সরকারের ইন্টিগ্রেটেড ট্রাইবাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের এই আয়বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ মিলতেই হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। স্তম্ভিত ভিজিল্যান্স আধিকারিকেরাও।

শনিবার হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তির খোঁজে ওড়িশা ভিজিলান্স মোট ৯ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ৯ জায়গার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বৈকুণ্ঠনাথ বেহরা বা তাঁর পরিবারের নামে। ভুবনেশ্বর, বালেশ্বর, জাজপুর এবং বালিগুড়ায় একযোগে তল্লাশি চালিয়ে নগদ ২ কোটি টাকা থেকে শুরু করে দামি ফ্ল্যাট, কয়েক একর জমির উপরে তৈরি চার তলার বাড়ি, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বেনামে বেশ কয়েকটি জমির হদিস মিলেছে। সূত্রের খবর, বৈকুণ্ঠের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। সহকর্মীদের একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে ভুবনেশ্বরের বিশেষ ভিজিল্যান্স আদালত তল্লাশির নির্দেশ দেয়। তবে সরকারি ইঞ্জিনিয়ার হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে আগে ওয়ারেন্ট জারি করে ভুবনেশ্বরের নিম্ন আদালত। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডেপুটি সুপার, ইন্সপেক্টর এবং অন্যান্য আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত বিশেষ দল একযোগে তাঁর বিভিন্ন ঠিকানায় অভিযান চালায়। ইঞ্জিনিয়ারের হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ পেয়েই এই অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু কীভাবে এত পরিমাণ সম্পত্তি করলেন বৈকুণ্ঠনাথ, সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
জানা গেছে, চন্দ্রশেখরপুর, শৈলশ্রী বিহার, কানন বিহার, জাজপুর জেলার ধর্মশালা, বারিপদা এবং বালিগুড়া-সহ মোট ৯টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। এর মধ্যে ছিল তাঁর সরকারি বাসভবন, ব্যক্তিগত বাড়ি এবং অফিস। তল্লাশিতে বৈকুণ্ঠ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে ৫টি বহুতল আবাসনের খোঁজ মিলেছে। এরমধ্যে ভুবনেশ্বরের নীলাদ্রি বিহারে প্রায় ১০,৫০০ বর্গফুট আয়তনের একটি চারতলা বাড়িও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া ভুবনেশ্বর ও জাজপুর জেলায় আরও কয়েকটি বাড়ির সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। শুধু বাড়িই নয়, বৈকুণ্ঠের নামে ১৩টি জমির প্লটের নথিও উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে ভুবনেশ্বরের অভিজাত এলাকায় রয়েছে ৭টি প্লট। বাকি জমিগুলি জাজপুর ও বারিপদা অঞ্চলে রয়েছে বলে জানতে পারে তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কের লকার থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন ঠিকানা থেকে প্রায় তিন লক্ষ টাকাও বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও সোনার গয়না, ফিক্সড ডিপোজিট, ডাকঘরের সঞ্চয় প্রকল্পে বিনিয়োগ এবং অন্যান্য আর্থিক সম্পদের খোঁজ মিলেছে। উদ্ধার হওয়া সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণে কাজ শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জমি ও বাড়িগুলির বর্তমান বাজারদরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
{{/usCountry}}জানা গেছে, চন্দ্রশেখরপুর, শৈলশ্রী বিহার, কানন বিহার, জাজপুর জেলার ধর্মশালা, বারিপদা এবং বালিগুড়া-সহ মোট ৯টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। এর মধ্যে ছিল তাঁর সরকারি বাসভবন, ব্যক্তিগত বাড়ি এবং অফিস। তল্লাশিতে বৈকুণ্ঠ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে ৫টি বহুতল আবাসনের খোঁজ মিলেছে। এরমধ্যে ভুবনেশ্বরের নীলাদ্রি বিহারে প্রায় ১০,৫০০ বর্গফুট আয়তনের একটি চারতলা বাড়িও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া ভুবনেশ্বর ও জাজপুর জেলায় আরও কয়েকটি বাড়ির সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। শুধু বাড়িই নয়, বৈকুণ্ঠের নামে ১৩টি জমির প্লটের নথিও উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে ভুবনেশ্বরের অভিজাত এলাকায় রয়েছে ৭টি প্লট। বাকি জমিগুলি জাজপুর ও বারিপদা অঞ্চলে রয়েছে বলে জানতে পারে তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কের লকার থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন ঠিকানা থেকে প্রায় তিন লক্ষ টাকাও বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও সোনার গয়না, ফিক্সড ডিপোজিট, ডাকঘরের সঞ্চয় প্রকল্পে বিনিয়োগ এবং অন্যান্য আর্থিক সম্পদের খোঁজ মিলেছে। উদ্ধার হওয়া সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণে কাজ শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জমি ও বাড়িগুলির বর্তমান বাজারদরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
{{/usCountry}}সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈকুণ্ঠনাথ ১৯৯৯ সালে মাসিক ৬ হাজার টাকা বেতনে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। চলতি বছর তিনি অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পদে উন্নীত হন। তার আগে তিনি আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থা ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। তদন্ত এখনও চলছে। বৈকুণ্ঠনাথের আয়ের তুলনায় বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির কারণ কী, সেটাই তদন্ত করে দেখছে ওড়িশার ভিজিল্যান্স দফতর। এখনও পর্যন্ত বৈকুণ্ঠনাথের মোট সম্পত্তির হিসেব করে উঠতে পারেনি তদন্তকারী আধিকারিকরা। তবে ভিজিল্যান্স আধিকারিকদের মতে, সমস্ত সম্পদের মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হলে বৈকুণ্ঠনাথ বেহরার মোট সম্পত্তির পরিমাণ এবং আয়-ব্যয়ের প্রকৃত হিসাব আরও স্পষ্ট হবে।