CJP on Odisha Student Protest: ৩৮০ কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ! এই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা চাইল ককরোচ পার্টি
CJP on Odisha Student Protest: ওড়িশার ছাত্র বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানালেন ককরোচ জনতা পার্টির সৌরভ দাস। সেইসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা দাবি তুলল। মঙ্গলবার বিধানসভা অভিযানেরও ডাক দেওয়া হয়েছে ওড়িশায়।
CJP on Odisha Student Protest: ওড়িশার শিক্ষামন্ত্রী নিত্যানন্দ গন্ডের ইস্তফার দাবিতে সমর্থন জানাল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। পাঠ্যবই ছাপা সংক্রান্ত ৩৮০ কোটি টাকার অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে, সেটার প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি উঠেছে। সেইসঙ্গে মঙ্গলবার বিধানসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে সত্যাগ্রহ চালিয়ে যাওয়া 'নবনির্মাণ যুব ছাত্র সংগঠন' এবং বিরোধী দল বিজেডি। সেই পরিস্থিতিতে সিজেপির যুগ্ম-আহ্বায়ক সৌরভ দাস বলেন, অবিলম্বে রাজ্য সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সেটি বাস্তবায়নে যাবতীয় সহায়তা করবে সিজেপি।

'৩৩ দিন ধরে আন্দোলন, ১৬ দিন ধরে অনশন'
আর সৌরভ সেই মন্তব্য করেছেন ভুবনেশ্বরে 'স্কুল ঠিক করো' কর্মসূচিতে এসে। ককরোচ জনতা পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক দাবি করেছেন, ৩৩ দিন ধরে আন্দোলন চলছে। ১৬ দিন ধরে অনশন করছেন ৬১ বছরের সমাজকর্মী অক্ষয় কুমার। অথচ যাঁরা ক্ষমতায় আছেন, তাঁরা কোনওরকম দায়ভার নিচ্ছেন না। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার নিদেনপক্ষে আলোচনার টেবিলেও বসছে না বলে দাবি করেছেন দাবি করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক।
'এরকম ঔদ্ধত্য ও উদাসীনতা দেখাতে পারে না সরকার'
সৌরভের কথায়, ‘৩৩ দিন ধরে চলা কোনও বিক্ষোভের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার এরকম ঔদ্ধত্য ও উদাসীনতা দেখাতে পারে না। বিক্ষোভকারীদের দাবির বিষয়ে সরকারের অবস্থান যেটাই হোক না কেন, নিদেনপক্ষে যে কাজটা তাদের করা উচিত, সেটা হল- বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা, তাঁদের কথা শোনা এবং আলোচনা করা।'
সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, 'সরকারের কান খোলানোর জন্য শুধুমাত্র ৩৩ দিন রাস্তায় কাটানোর প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়। অবিলম্বে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। আর সেটার বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে ককরোচ জনতা পার্টি।’
কংগ্রেস ও আপের বি টিম হল CJP, পালটা বিজেপি
যদিও সৌরভকে পালটা আক্রমণ করেছে বিজেপি। ওড়িশার বিজেপির মুখপাত্র অনিল বিসওয়াল বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টি আসলে কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির (আপ) বি-টিম। ওঁরা বিজেপি-শাসিত রাজ্যে গলদ খুঁজে পান। ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়া এবং তরুণ প্রজন্মের উপরে যখন পুলিশি বর্বরতা হয়, তখন ওঁরা নির্বাক থাকেন। তেলাঙ্গানা, কর্ণাটক এবং কেরলমের পড়ুয়াদের ইস্যু নিয়ে ওঁরা চুপ করে আছেন। ককরোচ জনতা পার্টি যে সব অভিযোগ তোলে, তা রাজনৈতিক।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


