সদ্য জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে সাংবাদিক নিধি রাজদানের বিয়ে নিয়ে ব্যাপক চর্চা চলছে। ইতিমধ্যেই এই বিয়ে ঘিরে জামাত প্রধানের বক্তব্যের পর বিয়ে ঘিরে নানান আলোচনা চলছে। কাশ্মীরি পণ্ডিত পরিবারের মেয়ে নিধির সঙ্গে কাশ্মীরি মুসলিম পরিবারের ওমারের এই বিয়ে বেশ চর্চায়। দুই পক্ষেরই এই বিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে। ওমরের সঙ্গে তাঁর প্রথম স্ত্রী পায়েল নাথের ডিভোর্সের পর নিধিকে ঘরনী করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ্য, আবদুল্লা পরিবারে ভিন ধর্মে বিয়ে ঘিরে চর্চায় উঠে আসে ওমরের ছোটবোন সারার প্রসঙ্গ। যাঁর সঙ্গে বহু বছর আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কংগ্রেসের তাবড় নেতা তথা রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলট।

এককালে ভারতীয় সেনার পাইলট তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজেশ্বর বিধুরির ( যিনি রাজেশ পাইলট হিসাবে পরিচিত) পুত্র হলেন সচিন। সচিন নিজে রাজস্থানের দৌসা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের হয়ে বহুবার জিতেছেন ভোটযুদ্ধ। ছিলেন রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী।বর্তমানে বিধায়ক সচিন। মূলত, সচিনদের পরিবার গুর্জর পরিবার হিসাবে পরিচিত। গুর্জর (বা গুজ্জর) নেতা হিসাবে প্রথমে রাজেশ, পরে সচিনও বেশ জনপ্রিয়তা পান।
এদিকে, সারা, কাশ্মীরের আবদুল্লা পরিবারের সন্তান। জম্মু ও কাশ্মীরের ন্যাশনাল কনফারেন্স পার্টির প্রতিষ্ঠাতা শেখ আবদুল্লার নাতনি হলেন সারা। সারার বাবা ফারুক আবদুল্লা হলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পেশায় ফিজিশিয়ান। সারার মা মোল্লি আবদুল্লা, ইংরেজ বলে জানা যায়। ওমরের বোন ও ফারুক কন্যা সারা পড়ুয়া হিসাবে কিছুটা সময় লন্ডনে কাটিয়েছেন।
জানা যায়, সারা ও সচিনের সাক্ষাৎ লন্ডনেই হয়। সচিনও সেখানে উচ্চ শিক্ষার্থে যান। বেশ কিছুটা সময় পর তাঁরা তাঁদের সম্পর্কের কথা পরিবারকে জানান। ইন্ডিয়া টিভির রিপোর্ট বলছে, দুই তাবড় পরিবার প্রথম থেকেই যে এই বিয়ের পক্ষে ছিল, এমন ইঙ্গিত মেলেনা। রিপোর্ট দাবি করে, বহু কাঠখড় পুড়িয়ে ২০০৪ সালে সারা ও সচিন বিয়ে সম্পন্ন করেন। সারা রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে রাখলেও সচিন সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেন। পরবর্তীতে তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কিত চর্চা শিরোনামে না আসলেও, ২০২৩ সালে, তাঁদের দাম্পত্যের প্রসঙ্গ কাড়ে নজর। ২০২৩ সালের নির্বাচনি হলফনামায় সচিন পাইলট নিজেকে ডিভোর্সি ঘোষণা করেন। এর আগে, ২০১৮ সালের নির্বাচনী হলফনামাতেও সারাকে স্ত্রী হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন সচিন। তবে, তাঁদের বিয়ে ১৯ বছর পর জানা যায়, তাঁদের বিচ্ছেদের কথা।
উল্লেখ্য, সারার দাদা ওমরের সঙ্গে তাঁর প্রথম স্ত্রী পায়েলের বিয়ে হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। জানা যায়, পায়েল ও ওমর ২০০৯ সাল থেকেই আলাদা থাকছিলেন।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, সারার দাদা ওমরের সঙ্গে তাঁর প্রথম স্ত্রী পায়েলের বিয়ে হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। জানা যায়, পায়েল ও ওমর ২০০৯ সাল থেকেই আলাদা থাকছিলেন।
{{/usCountry}}