রেস্তোরাঁয় আভিজাত্যের মোড়কের সঙ্গে জুড়েছিল বিরাট কোহলির নামও, বেঙ্গালুরুর সেই বিখ্যাত রেস্তোরাঁ 'ওয়ানএইট কমিউন' এখন বন্ধ। এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে, বিরাটের সঙ্গে এই রেস্তোরাঁর এখন আর গাঁটছড়া নেই। বহুদিন আগেই নানান এই রেস্তোরাঁর সঙ্গ ছাড়েন বিরাট। জানা যাচ্ছে, এই বিখ্যাত ওয়ান এইট কমিউনের এখন ২ কোটি টাকার দেনা।

বেঙ্গালুরুর ওয়ান এইট কমিউনের রেস্তোরাঁর অপারেটর আর বিল্ডিং এর মালিকের মধ্যে সংঘাত গিয়ে ঠেকেছে কোর্টে। প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ছয় মাস ধরে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছিল এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ও রাজস্ব ভাগ সহ মোট বকেয়ার পরিমাণ ২ কোটি টাকারও বেশি ছিল। এম চিন্না স্বামী স্টেডিয়ামের কাছে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁটি ২০২৩ সালের শেষের দিকে চালু হওয়ার পর থেকে শহরের ভোজনরসিকদের কাছে একটি সুপরিচিত নাম হয়ে উঠেছে।
রেস্তোরাঁ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল ট্রিও হিলস হসপিটালিটি। জানা গিয়েছে, বারবার মনে করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও তারা বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। এরপরে, সম্পত্তির মালিক আদালতের শরণাপন্ন হন, যা নির্দেশ দেয় যে সমস্ত বকেয়া পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকবে। এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে, বন্ধ হওয়ার অনেক আগেই বিরাট কোহলি, বেঙ্গালুরুর আউটলেটটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং রেস্তোরাঁটি থেকে নিজের ব্র্যান্ডের নাম প্রত্যাহার করে নেন। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্র জানিয়েছে যে, গত কয়েক বছর ধরে বারবার নিয়মকানুন-সংক্রান্ত উদ্বেগ সামনে আসার পর কোহলি নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
রেস্তোরাঁ ঘিরে যে সমস্ত অভিযোগ উঠেছিল, তার মধ্যে রয়েছে, কথিত অগ্নি নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সমস্যা নিয়ে নোটিশ। ব্র্যান্ডটি বেরিয়ে যাওয়ার পর, রেস্তোরাঁটিতে গ্রাহক সমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, যা এর আর্থিক সচ্ছলতাকে আরও প্রভাবিত করেছে।
{{/usCountry}}রেস্তোরাঁ ঘিরে যে সমস্ত অভিযোগ উঠেছিল, তার মধ্যে রয়েছে, কথিত অগ্নি নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সমস্যা নিয়ে নোটিশ। ব্র্যান্ডটি বেরিয়ে যাওয়ার পর, রেস্তোরাঁটিতে গ্রাহক সমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, যা এর আর্থিক সচ্ছলতাকে আরও প্রভাবিত করেছে।
{{/usCountry}}