...
...
Next Story

Restaurant unpaid rent: এককালে নাম জুড়ে ছিল বিরাটের সঙ্গে! বেঙ্গালুরুর সেই রেস্তোরাঁ এখন বন্ধ, রিপোর্ট বলছে 'কারণ'..

Restaurant once associated with Virat Kohli: বেঙ্গালুরুর ওয়ান এইট কমিউনের রেস্তোরাঁর অপারেটর আর বিল্ডিং এর মালিকের মধ্যে সংঘাত গিয়ে ঠেকেছে কোর্টে।

Published on: Apr 22, 2026, 19:50:37 IST
Advertisement

রেস্তোরাঁয় আভিজাত্যের মোড়কের সঙ্গে জুড়েছিল বিরাট কোহলির নামও, বেঙ্গালুরুর সেই বিখ্যাত রেস্তোরাঁ 'ওয়ানএইট কমিউন' এখন বন্ধ। এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে, বিরাটের সঙ্গে এই রেস্তোরাঁর এখন আর গাঁটছড়া নেই। বহুদিন আগেই নানান এই রেস্তোরাঁর সঙ্গ ছাড়েন বিরাট। জানা যাচ্ছে, এই বিখ্যাত ওয়ান এইট কমিউনের এখন ২ কোটি টাকার দেনা।

এককালে নাম জুড়ে ছিল বিরাটের সঙ্গে! বেঙ্গালুরুর সেই রেস্তোরাঁ এখন বন্ধ
এককালে নাম জুড়ে ছিল বিরাটের সঙ্গে! বেঙ্গালুরুর সেই রেস্তোরাঁ এখন বন্ধ

বেঙ্গালুরুর ওয়ান এইট কমিউনের রেস্তোরাঁর অপারেটর আর বিল্ডিং এর মালিকের মধ্যে সংঘাত গিয়ে ঠেকেছে কোর্টে। প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ছয় মাস ধরে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছিল এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ও রাজস্ব ভাগ সহ মোট বকেয়ার পরিমাণ ২ কোটি টাকারও বেশি ছিল। এম চিন্না স্বামী স্টেডিয়ামের কাছে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁটি ২০২৩ সালের শেষের দিকে চালু হওয়ার পর থেকে শহরের ভোজনরসিকদের কাছে একটি সুপরিচিত নাম হয়ে উঠেছে।

রেস্তোরাঁ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল ট্রিও হিলস হসপিটালিটি। জানা গিয়েছে, বারবার মনে করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও তারা বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। এরপরে, সম্পত্তির মালিক আদালতের শরণাপন্ন হন, যা নির্দেশ দেয় যে সমস্ত বকেয়া পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকবে। এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে, বন্ধ হওয়ার অনেক আগেই বিরাট কোহলি, বেঙ্গালুরুর আউটলেটটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং রেস্তোরাঁটি থেকে নিজের ব্র্যান্ডের নাম প্রত্যাহার করে নেন। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্র জানিয়েছে যে, গত কয়েক বছর ধরে বারবার নিয়মকানুন-সংক্রান্ত উদ্বেগ সামনে আসার পর কোহলি নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe