Pakistan terrorists killing: পাকে ৩০-র বেশি লস্কর জঙ্গিকে খতম করেছে 'অজানা বন্দুকবাজরা', স্বীকার ক্যামেরাতেই
Pakistan terrorists killing: পাকিস্তানে ৩০-র বেশি লস্কর জঙ্গিকে খতম করেছে 'অজানা বন্দুকবাজরা', স্বীকার ক্যামেরাতেই। লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গির সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ‘অজানা বন্দুকবাজ’ আতঙ্কে জঙ্গিরা?
Pakistan terrorists killing: পাকিস্তানে স্রেফ লস্কর-ই-তৈবারই ৩০-র বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে 'অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজরা'। পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন লস্করের এক জঙ্গিই ক্যামেরার সামনে সেই কথা স্বীকার করেছে বলে একটি রিপোর্টে জানানো হল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভিডিয়ো (সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা) ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিডিয়োয় যাকে দেখা গিয়েছে, সে আদতে লস্কর জঙ্গি রিজওয়ান হানিফ।

‘২০০৮ সালের মুম্বই হামলায় যুক্ত জঙ্গিদেরও খতম করা হয়েছে’
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাইরাল ভিডিয়োয় ওই জঙ্গিকে বলতে শোনা গিয়েছে যে গত তিন-চার বছরে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে লস্করের অনেক সদস্যকে নিকেশ করে দেওয়া হয়েছে। যারা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলায় যুক্ত ছিল। পেশোয়ার, করাচি, রাওয়ালপিন্ডি, রাওয়ালকোটের মতো জায়গায় ওই সন্ত্রাসবাদীকে খতম করা হয়েছে বলে ওই লস্কর জঙ্গি।
হিন্দু ধর্ম নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য লস্কর জঙ্গির
তারইমধ্যে ওই ভাইরাল ভিডিয়োয় লস্কর জঙ্গিকে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে। আবার দাবি করতে শোনা গিয়েছে যে জঙ্গিদের খতম করার পিছনে নাকি ভারতীয় গোয়েন্দা এজেন্সিগুলির হাত আছে। যে অভিযোগ বারবার খারিজ করে এসেছে নয়াদিল্লি।
ভারত কী করতে পারে? গত বছরেই বুঝিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি
এমনিতে গত বছর মে'তে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের ন'টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছিল ভারত। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী। সেই ঘটনার পরে ৬ মে ও ৭ মে'র মধ্যবর্তী রাতে ভারতের আকাশসীমা থেকেই পাকিস্তানের একের পর এক জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছিল ভারত। যা থেকে স্পষ্টবার্তা দিয়েছিল যে ভারত চাইলে পাকিস্তানের সামরিক ঘাঁটি বা অসামরিক জায়গায় আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু ভারত সেই পথে হাঁটেনি। কারণ শান্তিপ্রিয় দেশ।
যদিও জঙ্গিদের উপরে এই হামলা মেনে নিতে পারেনি পাকিস্তান। জঙ্গিদের উপরে হামলার পালটা হিসেবে ভারতের সামরিক ঘাঁটি এবং সাধারণ মানুষের বাসস্থানে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু একবারও সফল হয়নি। বরং ভারত পালটা যখন পাকিস্তানের সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ করেছিল, তখন পড়ি-কি-মরি করে নয়াদিল্লির কাছে সংঘর্ষবিরতি ভিক্ষা করেছিল ইসলামাবাদ।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


