২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন। ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন হিন্দু পর্যটককে খুন করেছিল পাকিস্তানি জঙ্গিরা। সেই ঘটনার একবছর পূরণ হচ্ছে আগামিকাল। এই আবহে পহেলগাঁওতে খুন হওয়া সন্তোষ জগদলের মেয়ে আশাভরী বললেন, 'এই বিগত একবছর আমার এবং পরিবারের জন্য খুব কঠিন ছিল। আমাদের মতো আরও ২৫টি পরিবারের জন্য এই সময় খুব কঠিন ছিল। গত একবছর ধরে আমরা নরকের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।'

পহেলগাওঁ হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে অপারেশন সিঁদুরের কথা উল্লেখ করে 'সতর্কবার্তা' ভারতীয় সেনাবাহিনীর। মঙ্গলবার ভারতীয় সেনার তরফে একটি ছবি পোস্ট করা হয়, সেখানে লেখা - 'কিছু সীমান্ত কখনও অতিক্রম করা উচিত নয়। ভারত ভোলে না। যখন মানবতার সীমানা অতিক্রম করা হয়, তখন তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হয়। ন্যায়বিচার করা হয়। ভারত ঐক্যবদ্ধ।'
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এর জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।
{{/usCountry}}এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।
{{/usCountry}}