টি২০ বিশ্বকাপ চলাকালীন শ্রীলঙ্কায় এক মহিলা হোটেলকর্মীর সঙ্গে অভব্য আচরণ করার অভিযোগ উঠল এক পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। এই আবহে সেই ক্রিকেটারকে জরিমানা করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযুক্ত পাক ক্রিকেটারের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সুপার ৮ ম্যাচের আগে এই ঘটনাটি ঘটে। উল্লেখ্য, পাকিস্তানি ক্রিকেট দলের সদস্যরা এর আগেও সফরের সময় মহিলাদের বিরুদ্ধে অভব্য আচরণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০২৫ সালে পাক ক্রিকেটার হায়দার আলিকে গ্রেফতার করেছিল ম্যাঞ্চেস্টার পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। তবে পরে প্রমাণের অভাবে আদালতে জামিন পায় সে। এদিকে পাকিস্তান দলের ম্যাসেজার নাকি দলের এক মহিলা সদস্যের সঙ্গে বাজে আচরণ করেছিলেন। এর জন্য তাকে জরিমানা করা হয়েছিল।

জানা গিয়েছে, ক্যান্ডির গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলের একজন মহিলা হাউজকিপিং স্টাফের সঙ্গে পাক ক্রিকেটার অভব্য আচরণ করেন। সেই সময় মহিলা হোটেলকর্মী চেঁচিয়ে সাহায্য চাইতে থাকেন। অন্য হোটেলকর্মীরা তখন তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। পরে পাকিস্তান দলের ম্যানেজার নাভেদ চিমাকে বিষয়টি জানায় হোটেল কর্তৃপক্ষ। হোটেল কর্তৃপক্ষ চেয়েছিল, অভিযুক্ত ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হোক। তবে পাক দলের ম্যানেজার চিমা হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ক্ষমা চেয়ে নেন। এবং অভিযুক্ত ক্রিকেটারকে জরিমানা করা হয়।
এদিকে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরে এই অভিযুক্ত ক্রিকেটারকে আরও শাস্তি দেওয়া হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। জানা গিয়েছে, পিসিবির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সামনে হাজির হওয়ার কথা সেই অভিযুক্ত ক্রিকেটারের। অপরদিকে পাকিস্তানের বিশ্বকাপের দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ৫০ লক্ষ টাকা (পাকিস্তানি রুপি) করে জরিমানা করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের কাছে হারের পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তবে পাকিস্তান যদি সেমিফাইনালে উঠতে পারত, তাহলে হয়ত সেই জরিমানা করা হত না। যদিও পাকিস্তানি দল সুপার ৮ থেকেই বাদ হয়ে গিয়েছে। এই আবহে মহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন বোর্ড ক্রিকেটারদের জরিমানা করেছে। বিশ্বকাপের এই পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে রিপোর্টে।