অক্টোবরে তাঁর সফরকালে ব্রিটিশ লেবার পার্টির কাউন্সিলর দালাত আলিকে পাকিস্তানে আটক করে রাখার অভিযোগ ঘিরে সরগরম নেটপাড়া। জানা যায়, খনিকের আটকের পর দালাত আলিকে মুক্তি দেওয়া হলেও, ব্রিটিশ এই কাউন্সিলরকে তাঁর দেশে ফেরার পথ রুদ্ধ করতে উদ্যত হয়েছে শেহবাজ সরকার।

২৮ অক্টোবর দেশে ফেরার বিমান ধরার কথা ছিল ইউকের ওই ব্রিটিশ কাউন্সিলর দালাত আলির। তবে অভিযোগ, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ, তার সেই রাস্তা রুদ্ধ করে দেয়। তাঁকে তাঁর নির্দিষ্ট বিমানে উঠতে দেয়নি পাকিস্তান। ব্রিটেনের রশাডেল বোরো কাউন্সিলের ডেপুটি নেতা হলেন আলি। ব্রিটেনের রশাডেল কাউন্সিল সন্দেহ করছে, দালাতকে এভাবে আটকের নেপথ্যে রয়েছে, কাশ্মীরিদের হয়ে দালাতের সরব হওয়ার ঘটনা। দালাতকে আটক করার ঘটনা, ম্যানচেস্টার ইভিনিং নিউজ ও জম্মুর সংবাদমাধ্যম কাশ্মীর টাইমসে প্রকাশিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই দালাতকে ব্রিটেনে ফেরাতে সেদেশের লেবার পার্টির নেতা ইমরান হুসেন, ব্রিটিশ সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছেন।
ভারতের মানবাধিকার কর্মী আজাহার আহমেদ এই আটকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁর মতে, পাকিস্তানে রাজনৈতিক হুমকি, সেদেশে বাক স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয় এই ঘটনা। আজাহারের দাবি, ইউকে যেন এই গোটা ঘটনা নিয়ে পাকিস্তানের জবাবদিহি দাবি করে।
কাশ্মীর টাইমসের তথ্যমতে, অক্টোবরের মাঝামাঝি ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর আলীকে বেশ কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগের পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে রশডেল বরো কাউন্সিল জানিয়েছে, তাঁকে ‘অল্প সময়ের জন্য’ আটক রাখা হয়েছিল। তারা আরও বলেছে, ‘আমরা যতদূর জানি, এটি কাশ্মীর অঞ্চল নিয়ে কাউন্সিলর আলির দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত প্রচারণার সঙ্গে সম্পর্কিত।’
{{/usCountry}}কাশ্মীর টাইমসের তথ্যমতে, অক্টোবরের মাঝামাঝি ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর আলীকে বেশ কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগের পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে রশডেল বরো কাউন্সিল জানিয়েছে, তাঁকে ‘অল্প সময়ের জন্য’ আটক রাখা হয়েছিল। তারা আরও বলেছে, ‘আমরা যতদূর জানি, এটি কাশ্মীর অঞ্চল নিয়ে কাউন্সিলর আলির দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত প্রচারণার সঙ্গে সম্পর্কিত।’
{{/usCountry}}এর আগে, তাঁর এক লেখায়, দালাত আলি দাবি করেন, পাকিস্তান, পিওকে-তে কাশ্মীরিদের ওপর অধিকার মূলক শক্তির দাপট নিয়ে চলছে। এদিকে, গত কয়েক মাস ধরে বিক্ষোভের আগুনে ফুটছে পিওকে। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে বহু দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তার জেরে বহু জায়গায় ইন্টারনেট বন্ধ ছিল। বহু সাংবাদিককেও সেই ঘটনার জেরে আটক করা হয়। ঠিক এমন এক সময় ব্রিটিশ কাউন্সিলরকে ঘিরে এই ঘটনা পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলে দেয়। এদিকে, পিওকেতে ঘটে চলা প্রতিবাদ নিয়ে পাকিস্তান সেদেশের সাংবাদিক দানিশ ইরশাদকে সন্ত্রাসী ওয়াচ লিস্টে রেখে দিয়েছে পাকিস্তান।