Pakistan F16 Fighter Jet Modernization: পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের ৭৫ থেকে ৮৫টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের জন্য একটি রাডার আপগ্রেড প্রোগ্রাম অনুমোদন করেছে মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন প্রতিরক্ষা জায়ান্ট নর্থরোপ গ্রুমম্যান সিস্টেমস কর্পোরেশন এই প্রকল্পের জন্য ৪৮৮ মিলিয়ন ডলারের (৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি) চুক্তি করেছে। এই চুক্তির আওতায় মার্কিন বিমান বাহিনীর ফরেন মিলিটারি সেলস প্রোগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তান এবং অন্যান্য দেশগুলিকে এফ-১৬ রাডার সিস্টেমে আধুনিকীকরণের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা সরবরাহ করা হবে।

এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল পাকিস্তান এবং অন্যান্য যে দেশগুলিকে আমেরিকা এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়েছে, সেই বিমানগুলির পুরানো রাডার সিস্টেমকে অত্যাধুনিক করা। প্রতিবেদন অনুসারে, এই আপগ্রেডের কাজ শেষ করার সময়সীমা ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে ভারত 'অপারেশন সিঁদুর' চালিয়ে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য একেক সময় একেক কথা বলছেন এই সংঘাত নিয়ে। সম্প্রতি ২৭ এপ্রিল অপারেশন সিঁদুরের সময় নাকি সব মিলিয়ে ১১টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জুলাই থেকেই অপারেশন সিঁদুর নিয়ে নানা দাবির কথা শোনাচ্ছেন ট্রাম্প। একেক সময় একেক সংখ্যায় বিমান ধ্বংস হওয়ার কথা বলছেন তিনি। এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইতে ট্রাম্প বলেছিলেন ভারত-পাক সংঘাতে ৫টা যুদ্ধবিমান ভেঙেছে, এরপর অগস্টে সেটা ৭ হল। আর নভেম্বর আসতে আসতে ট্রাম্প দাবি করেন, অপারেশন সিঁদুরের সময় নাকি ৮টা বিমান ধ্বংস হয়েছিল। সেটা বেড়ে ১০ হয় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করেছিল। এর জবাবে ভারত ২০২৫ সালের ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করেছিল। এর জবাবে ভারত ২০২৫ সালের ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
{{/usCountry}}এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।