...
...
Next Story

Op সিঁদুরে গুঁড়িয়ে যাওয়া ঘাঁটি ফের তৈরি করছে পাকিস্তান, স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়ল গোপন সত্যি

২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার প্রতিক্রিয়ায় অপারেশন সিঁদুর শুরু করা হয়েছিল।

Published on: Dec 2, 2025, 22:48:14 IST
Advertisement

এখনও মুখ থুবড়ে পাকিস্তান। অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি এই দেশ। সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে স্পষ্ট হল আসল চেহারা। মে ২০২৫-এ চার দিনের সংঘর্ষে ভারত পাকিস্তানের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল। তার সাত মাস পরও ইসলামাবাদ ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলির মেরামত শেষ করতে পারেনি-নতুন উপগ্রহচিত্রে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে।

সুক্কুর বিমানঘাঁটি

Op সিঁদুরে গুঁড়িয়ে যাওয়া ঘাঁটি ফের তৈরি করছে পাকিস্তান (সৌজন্যে টুইটার )
Op সিঁদুরে গুঁড়িয়ে যাওয়া ঘাঁটি ফের তৈরি করছে পাকিস্তান (সৌজন্যে টুইটার )

এনডিটিভির প্রতিবেদনে অনুসারে, কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত ওই ছবিগুলিতে ধরা পড়েছে পাকিস্তানের উত্তর সিন্ধের সুক্কুর বিমানঘাঁটিতে হামলার পরবর্তী চিত্র। চলতি বছরের ১০ মে উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছিল যে ভারতের হামলার পর সুক্কুর বিমানঘাঁটি কার্যত ভগ্নস্তূপে পরিণত হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রানওয়েতে বড় বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে। কোথাও ভেঙে পড়েছে ছাদ, কোথাও আবার ভেঙে গিয়েছে আস্ত হ্যাঙ্গারও। নতুন স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে, হ্যাঙ্গারের জায়গাটি সমতল করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে কোনও নতুন কাঠামো দেখা যাচ্ছে না। যে হ্যাঙ্গারে আঘাত করা হয়েছিল তার ঠিক পাশেই দ্বিতীয় একটি হ্যাঙ্গার অক্ষত রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ওএসআইএনটি বিশ্লেষক ডেমিয়ান সাইমন বলেছেন, '২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের আঘাতে সুক্কুর হ্যাঙ্গারে ব্যাপক কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছিল। সেই সময়ের ছবিতে বিমানঘাঁটির ছাদ ভেঙে পড়ার পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষতির কথাও সামনে এসেছিল। নতুন চিত্রে দেখা যাচ্ছে যে, ওই সাইটটি ভেঙে ফেলা হয়েছে, এই পুননির্মাণ প্রক্রিয়া ২০২৫ সালের অক্টোবরে শুরু হয়।'

নুর খান এয়ারবেস

২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার প্রতিক্রিয়ায় অপারেশন সিঁদুর শুরু করা হয়েছিল। পহেলগাঁওতে একজন নেপালি পর্যটক সহ ২৬ জন নিহত হয়েছিল। এরপরেই মে মাসে ভারত অপারেশন সিঁদুর শুরু করে-পাকিস্তানের অভ্যন্তরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে এক সমন্বিত সামরিক অভিযান। অত্যন্ত নিখুঁত পরিকল্পনা ও প্রয়োগে পরিচালিত সেই অভিযানে পাকিস্তানের বিমানশক্তি ও কৌশলগত সম্পদের সঙ্গে যুক্ত একাধিক দূরবর্তী স্থাপনাকে নিশানা করা হয়। অভিযানের আওতায় রাওয়ালপিন্ডির নুর খান এয়ারবেস ও সিন্ধের জেকবাবাদ এয়ারবেস-সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে বহুবার হামলা চালানো হয়, যার ফলে হ্যাঙ্গার ও সহায়ক পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। ভারতের চার স্তরের বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাকিস্তানের প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ করে দেয়। এই ‘আয়রন ডোম’-এর মতো সিস্টেমের মধ্যে এস-৪০০, আকাশ, বারাক-8, QRSAM এবং VSHORAD-এর মতো সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত ছিল। টানা সংঘর্ষের পর ১০ মে দুই দেশ সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়। আপাতত সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণরেখায় পরিস্থিতি মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হয়নি এখনও। ভারতের সঙ্গে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন শরিফ। দুই দেশের সামরিক বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন্‌স (ডিজিএমও)-এর মধ্যে ‘হটলাইনে’ কথা হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe