হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হতেই যে সমস্ত দেশ লিকুইফায়েড ন্যাচরাল গ্যাস বা এলএনজি নিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার মধ্যে নাম রয়েছে পাকিস্তানের। সদ্য গ্যাসটেক কনফারেন্সে এক রিপোর্ট এই তথ্য তুলে ধরেছে। রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তানে এলএনজির ৯৯ শতাংশ সরবরাহ করে কাতার ও আমিরশাহি, আর সেই এলএনজি-র বেশিরভাগই পাকিস্তানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার উৎপাদন ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এদিকে, পাকিস্তানে শুরু হয়েছে ব্যাপক জ্বালানি সংকট। এমনই রিপোর্ট তুলে ধরেছে পাকিস্তানের একের পর এক সংবাদমাধ্যম।
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের মাঝে গত মার্চেই পাকিস্তান দেশে একাধিক বিধি আরোপ করেছিল। সেই বিধি ফের ফিরল শেহবাজ শরিফের দেশে। পাকিস্তানের সামা টিভির তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তবে এক্ষেত্রে কিছু বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বিদেশ ভ্রমণ অপরিহার্য হলে মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের ‘ইকোনমি ক্লাস’-এ যাতায়াত করতে হবে। এছাড়াও রিপোর্ট বলছে, সরকারি কোনও গাড়ি কেনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘তিন মাসের জন্য সরকারি যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহ ৫০ শতাংশ হ্রাস’ এবং সেই সাথে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো সময়জুড়ে কর্মী-বহির্ভূত ব্যয়ের বাজেটে ৫ শতাংশ কাটছাঁট’র কথা। এছাড়াও সেদেশে বিয়েবাড়ির খাবারে বা বিয়ে সংক্রান্ত ভোজে একটি মাত্র পদ রান্নার কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে পাকিস্তানের সংবাদপত্র দ্য ডন-র খবরের রিপোর্টে। এরই সঙ্গে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের দোকানপাট, বাজার, মুদির দোকান, মল, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর রাত ৯ টায় বন্ধ হবে। রাত ১০ টায় বন্দ করতে হবে বিয়ের হল, অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র। রেস্তোরাঁ, ক্যাফে বা খাবারের জায়গা বন্ধ হবে রাত ১১ টায়। এই সমস্তই পাকিস্তানে নয়া জ্বালানি সংকট, এনার্জি সংক্রান্ত সেক্টরে সংকট ঘিরে তৈরি হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।
‘ডন’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সময়সীমার বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে বেশ কিছু জরুরি পরিষেবা, এর মধ্যে রয়েছে ফার্মেসি, হাসপাতাল, ক্লিনিক, মেডিকেল ল্যাবরেটরি, জ্বালানি ও সিএনজি স্টেশন, বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) চার্জিং স্টেশন, জিম, ক্রীড়া স্থাপনা, আইটি কোম্পানি এবং কল সেন্টার। পাকিস্তানের সরকারের তরফে বিদেশ সফর নিয়েও এসেছে বার্তা। 'দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন'-এর তথ্য অনুযায়ী, ‘এই নির্দেশনায় বাধ্যতামূলক সফরসহ বিদেশ ভ্রমণ ও সফরের ওপর তিন মাসের জন্য সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যেসব ক্ষেত্রে বিদেশে প্রতিনিধিত্ব করা অপরিহার্য বা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সংশ্লিষ্ট পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে।’যেসব ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণ অপরিহার্য, সেসব ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিনিধি ও নির্বাহীদের ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলছে ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্ট।
{{/usCountry}}‘ডন’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সময়সীমার বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে বেশ কিছু জরুরি পরিষেবা, এর মধ্যে রয়েছে ফার্মেসি, হাসপাতাল, ক্লিনিক, মেডিকেল ল্যাবরেটরি, জ্বালানি ও সিএনজি স্টেশন, বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) চার্জিং স্টেশন, জিম, ক্রীড়া স্থাপনা, আইটি কোম্পানি এবং কল সেন্টার। পাকিস্তানের সরকারের তরফে বিদেশ সফর নিয়েও এসেছে বার্তা। 'দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন'-এর তথ্য অনুযায়ী, ‘এই নির্দেশনায় বাধ্যতামূলক সফরসহ বিদেশ ভ্রমণ ও সফরের ওপর তিন মাসের জন্য সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যেসব ক্ষেত্রে বিদেশে প্রতিনিধিত্ব করা অপরিহার্য বা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সংশ্লিষ্ট পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে।’যেসব ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণ অপরিহার্য, সেসব ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিনিধি ও নির্বাহীদের ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলছে ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্ট।
{{/usCountry}}এছাড়াও সরকারি দিক থেকে কোনও অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি রয়েছে পাকিস্তানি সরকারের তরফে। পাকিস্তানের সরকারি দফতরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন শহরের অভ্যন্তরে আয়োজিত বৈঠক ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে টেলি-কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। এছাড়া সরকারি অর্থায়নে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সেমিনার, প্রশিক্ষণ সেশন এবং সম্মেলনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।