পাকিস্তানের আদিয়ালা জেলে বন্দি রয়েছেন সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা পিটিআই নেতা ইমরান খান। ইমরানের মুক্তির দাবিতে তাবড় আন্দোলনে নেমেছেন তাঁর সমর্থকরা। ইতিমধ্যেই, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া দেখেছে উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলন। খাইবার পাখতুনখোয়ায় ইমরানের পার্টি পিটিআই-র একমাত্র সরকার ছিল, যাকে উৎখাত করে শেহবাজ শরিফের পাকিস্তান প্রশাসন, সেখানে গভর্নরস রুল লাগু করেছে। তার প্রতিবাদ শুরু হতেই সেখানে ৫০ জনকে আটক করেছে পাক প্রশাসন। এরই মধ্যে পাকিস্তানের সংসদের বিরোধী নেতা মেহমুদ খান আচাকজাই দাবি করছেন, সম্ভবত, বেনজির ভুট্টো, নওয়াজ শরিফের মতো ইমরান খানকেও পাকিস্তান নির্বাসনে পাঠাতে পারে।
আচাকজাই তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত করছেন, ইমরান খানকে জোর করে নির্বাসনে পাঠানোর বন্দোবস্ত করছে পাকিস্তানের পিএমএলএন ও পিপিপির সরকার। এমনই রিপোর্ট উঠে এসেছে পাকিস্তানের দ্য ডন সংবাদমাধ্যমে। উল্লেখ্য, পিপিপি পার্টির এককালে নেত্রী ও পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেনজির ভুট্টো, নির্বাসনে যান এককালে। এরপর পিএমএলএন-র নেতা নওয়াজ শরিফকেও পাকিস্তান নির্বাসন দেয়। সদ্য পাকিস্তানের পেশাওয়ার হাইকোর্টে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে আচাকজাই বলেন, ‘একই জিনিস পিএমএলএন ও পিপিপির সরকারের সঙ্গে ঘটছে।’ তিনি জানান যে, সব বিরোধী দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তাঁরা এবং শীঘ্রই একটি সর্বদলীয় সম্মেলনের আয়োজন করবেন। আচাকজাই আরও বলেন, আইনসভা থেকে পদত্যাগ করার বিকল্পটিও তাদের বিবেচনায় রয়েছে এবং আলোচনার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে তারা তাদের দাবিগুলো পেশ করেছেন। ইমরান প্রসঙ্গে আচাকজাই বলেন, ‘বিশ্বের কোথাও কোনো বন্দিকে সাক্ষাতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয় না।’ একই সঙ্গে তিনি ‘ভুল সংশোধনী’ প্রত্যাহার, সংসদকে শক্তিশালী করা এবং স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের ইতিহাসে অভ্যুত্থান কোনও নতুন ঘটনা নয়। কার্গিল যুদ্ধের পর সেনা প্রধান পরভেজ মুশারফের সেনা অভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রিত্ব চলে যায় নওয়াজ শরিফের। শরিফ ২০০০ সালে নির্বাসনে চলে যান। জানা যায় সেখানে এক সমঝোতা হয়, যেখানে সৌদি ও লেবাননের নেতাদের নাম উঠে আসে। এর আগে, ১৯৯৭ সালের ভোটে যখন বেনজির ভুট্টোর পিপিপি হেরে যায়, তখন বেনজির নিজেই স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান। ডন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই দুই ঘটনার সঙ্গে আচাকজাই, ইমরানের প্রসঙ্গ টেনে এক ইঙ্গিত দেন। তবে তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট নয় যে, নির্বাসনের কোনও সমঝোতা ইমরান খান পর্যন্ত পৌঁছেছে ,বলে। যদিও খাইবার পাখতুনখোয়ার ঘটনায় তিনি বলেন, ‘আমরা খাইবার পাখতুনখোয়ার মানুষের পাশে আছি। সেই এলাকার মানুষেরই সেখানে খণিজের ওপর অধিকার রয়েছে। রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে মাতৃভূমির জন্য একজোট হওয়া দরকার।’
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, পাকিস্তানের ইতিহাসে অভ্যুত্থান কোনও নতুন ঘটনা নয়। কার্গিল যুদ্ধের পর সেনা প্রধান পরভেজ মুশারফের সেনা অভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রিত্ব চলে যায় নওয়াজ শরিফের। শরিফ ২০০০ সালে নির্বাসনে চলে যান। জানা যায় সেখানে এক সমঝোতা হয়, যেখানে সৌদি ও লেবাননের নেতাদের নাম উঠে আসে। এর আগে, ১৯৯৭ সালের ভোটে যখন বেনজির ভুট্টোর পিপিপি হেরে যায়, তখন বেনজির নিজেই স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান। ডন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই দুই ঘটনার সঙ্গে আচাকজাই, ইমরানের প্রসঙ্গ টেনে এক ইঙ্গিত দেন। তবে তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট নয় যে, নির্বাসনের কোনও সমঝোতা ইমরান খান পর্যন্ত পৌঁছেছে ,বলে। যদিও খাইবার পাখতুনখোয়ার ঘটনায় তিনি বলেন, ‘আমরা খাইবার পাখতুনখোয়ার মানুষের পাশে আছি। সেই এলাকার মানুষেরই সেখানে খণিজের ওপর অধিকার রয়েছে। রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে মাতৃভূমির জন্য একজোট হওয়া দরকার।’
{{/usCountry}}