Pakistan Minorities Murdered: পাকিস্তানের অশান্ত বালোচিস্তান প্রদেশে ফের সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনা ঘটল। বুধবার ক্রিকেট খেলার সময় বন্দুকধারী জঙ্গিদের গুলিতে দুই তরুণ খ্রিস্টান ক্রিকেটারের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে বালোচিস্তানের মাস্তাং জেলার শামসাবাদ এলাকায়। প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে একটি ক্রিকেট মাঠে স্থানীয় কয়েকজন তরুণ ক্রিকেট খেলছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় পাশের একটি গ্রাম থেকে কয়েকজন সশস্ত্র জঙ্গি সেখানে এসে আচমকা গুলি চালাতে শুরু করে। হামলার পরই তারা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
মাস্তাং সিটি থানার স্টেশন হাউস অফিসার আবদুল রউফ জানিয়েছেন, গুলিতে দুই তরুণের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। নিহতদের নাম আয়ুশ মাসিহ (২১) এবং ডমনিক মাসিহ (২৪)। দু'জনেই স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্য ছিলেন এবং নিয়মিত ক্রিকেট খেলতেন।
ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীও হামলাকারীদের ধরতে আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন বা গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পাকিস্তানে সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে বালোচিস্তানে অতীতেও একাধিকবার এমন হামলা হয়েছে। ২০১৭ সালে কোয়েটার একটি গির্জায় আত্মঘাতী ও বন্দুক হামলায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই হামলার দায় স্বীকার করেছিল জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ২০১৮ সালেও কোয়েটায় পৃথক হামলায় একাধিক খ্রিস্টান নাগরিক নিহত হন। ২০২২ সালে মাস্তাংয়ের একটি খ্রিস্টান কলোনিতেও বন্দুকধারীদের হামলায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল এবং কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।
{{/usCountry}}পাকিস্তানে সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে বালোচিস্তানে অতীতেও একাধিকবার এমন হামলা হয়েছে। ২০১৭ সালে কোয়েটার একটি গির্জায় আত্মঘাতী ও বন্দুক হামলায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই হামলার দায় স্বীকার করেছিল জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ২০১৮ সালেও কোয়েটায় পৃথক হামলায় একাধিক খ্রিস্টান নাগরিক নিহত হন। ২০২২ সালে মাস্তাংয়ের একটি খ্রিস্টান কলোনিতেও বন্দুকধারীদের হামলায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল এবং কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।
{{/usCountry}}বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় হলেও সবচেয়ে কম জনবসতিপূর্ণ প্রদেশ বালোচিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অশান্ত। এই অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন, জঙ্গি গোষ্ঠী এবং সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা প্রায়শই ঘটে। আফগানিস্তান ও ইরানের সীমান্ত লাগোয়া এই প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলার পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও বারবার হামলার শিকার হয়েছেন।
সাম্প্রতিক এই হামলার পর পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।