Pakistan on Kashmir: পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার বার্ষিকীতে কাশ্মীর ইস্যুকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করল পাকিস্তান। রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে কাশ্মীর ইস্যুটি আন্তর্জাতিক, তবে ভারত এটিকে অভ্যন্তরীণ বলে অভিহিত করছে। একই সঙ্গে পাক তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার হুমকি দিয়েছেন, ভারত কোনও 'দুঃসাহসিকতা' দেখালে তার জবাব দেওয়া হবে। এদিকে নিজেদের পোষা জঙ্গিদের হামলায় জেরবার পাকিস্তান সেই সব হামলার জন্য ভারতকে দায়ী করল।

পাকিস্তানের সংবাদপত্র ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুসারে, তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, কাশ্মীর একটা আন্তর্জাতিক ইস্যু, ভারত এটাকে অভ্যন্তরীণ বলে অভিহিত করছে।' এদিকে কুলভূষণ যাদবের নাম করে পাকিস্তান অভিযোগ করে, ভারত নাকি পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, পাকিস্তানে জাফর এক্সপ্রেসে হামলা এবং খুজদার হামলায় ভারতের জড়িত থাকার 'প্রমাণ' রয়েছে তাদের হাতে। তবে পাকিস্তান এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।
আতাউল্লাহ তারার বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে যে কোনও 'দুঃসাহসিকতা' দেখানো হলে 'তাৎক্ষণিক, কার্যকর এবং নির্ণায়ক জবাব' দেবে পাকিস্তান। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান তার সার্বভৌমত্ব, সম্মান বা নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপস করবে না। বিশেষ ব্যাপার হল, পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতীয় সেনাবাহিনী অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে পাকিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটিগুলি ধ্বংস করেছিল। তবে ভারত সরকারের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বলা হয়েছে, অপারেশন সিঁদুর শেষ হয়নি বরং তা স্থগিত রাখা হয়েছে। এরপর থেকেই পাকিস্তান ভয়ে ভয়ে রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
{{/usCountry}}এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।