দক্ষিণ আফ্রিকার ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিচারক নভি পিল্লাই ভূষিত হয়েছেন ২০২৬ নোবেল শান্তি পুরস্কারে। এদিকে, ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে ২০২৬ সালে সেই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতে নিয়ে ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে নভি পিল্লাই বলেন, ‘আপনারা যদি এভাবে হাততালি আরও দিতে থাকেন, তাহলে হয়তো আমি পুরস্কারটি ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নেব!’ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিবের এক্স-এ পোস্ট করা একটি ভিডিওতে পিল্লাইকে একথা বলতে দেখা যায়। এদিকে, নোবেল শান্তি ২০২৬ পুরস্কার নিয়ে মুখ খুলেছেন ট্রাম্পও। অন্যদিকে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা বিচারক পিল্লাই এই পুরস্কারে ভূষিত হতেই, ট্রাম্পকে নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা উঠে আসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের তরফে।
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভারতীয় বংশোদ্ভূত পিল্লাই পেতেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এক এক্স পোস্টে বলেন, ‘আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি, আমাদের অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সংঘাত প্রতিরোধে (মার্কিন) প্রেসিডেন্টের প্রচেষ্টা এবার যথাযথ স্বীকৃতি পাবে।’ উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অপ্রিলে পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসী হানার জবাবে মে মাসে পাকিস্তানের পর পর জঙ্গি ডেরা গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। ৪ দিনে দুই দেশের যুদ্ধের পারদ চড়ে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, ট্রাম্পের ‘সময়োচিত হস্তক্ষেপ পাকিস্তান ও ভারতকে সংঘাতের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরিয়ে আনতে এবং একটি যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছে, যা আজও বলবৎ রয়েছে।’ উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তানের ২০২৫র যুদ্ধবিরতিতে কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কথা সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে দিল্লি। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২১শে জুন, দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার সংঘাত চলাকালীন ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের কথা উল্লেখ করে ইসলামাবাদ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তাঁকে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। এরপর ২০২৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন নভি পিল্লাই।
এদিকে, নভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততেই ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘আজ নোবেল কমিটি জাতিসংঘের নাভি পিল্লাইকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে অপূরণীয়ভাবে নিজেদের লজ্জিত করেছে এবং একদা মহান এই পুরস্কারকে অবমাননা করেছে। পিল্লাই আমেরিকা ও ইসরায়েলের একজন নির্লজ্জ বিদ্বেষী।’ একই সঙ্গে নভি পিল্লাইকে নিয়ে ট্রাম্প লেখেন, ‘নিজের পদে থেকে তিনি সন্ত্রাসীদের জয়গান গেয়েছেন এবং হামাসকে পুরস্কৃত করেছেন। তিনি একটি ভুয়া “তদন্ত” চালিয়ে দাবি করেছেন যে ইজরায়েল গণহত্যা করেছে এবং তাদের বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন। কোনও স্বাভাবিক পরিমণ্ডলে তার কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই এবং তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কখনো কিছুই করেননি। বরং ঠিক তার উল্টো।’
{{/usCountry}}এদিকে, নভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততেই ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘আজ নোবেল কমিটি জাতিসংঘের নাভি পিল্লাইকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে অপূরণীয়ভাবে নিজেদের লজ্জিত করেছে এবং একদা মহান এই পুরস্কারকে অবমাননা করেছে। পিল্লাই আমেরিকা ও ইসরায়েলের একজন নির্লজ্জ বিদ্বেষী।’ একই সঙ্গে নভি পিল্লাইকে নিয়ে ট্রাম্প লেখেন, ‘নিজের পদে থেকে তিনি সন্ত্রাসীদের জয়গান গেয়েছেন এবং হামাসকে পুরস্কৃত করেছেন। তিনি একটি ভুয়া “তদন্ত” চালিয়ে দাবি করেছেন যে ইজরায়েল গণহত্যা করেছে এবং তাদের বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন। কোনও স্বাভাবিক পরিমণ্ডলে তার কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই এবং তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কখনো কিছুই করেননি। বরং ঠিক তার উল্টো।’
{{/usCountry}}